অখিলেশ যাদব। ফাইল চিত্র।
ব্লক স্তরে সাপ্তাহিক পিডিএ (পিছড়ে বর্গ, দলিত এবং অল্পসংখ্যক তথা সংখ্যালঘু) জমায়েত এবং ব্রাহ্মণ ভোটব্যাঙ্কের বিশেষ যত্ন নেওয়ায় সক্রিয় অখিলেশ যাদবের দল। পাশাপাশি, জাতীয় স্তরের ঐক্যের কথা মাথায় রেখে ন্যূনতম ক’টি আসন কংগ্রেসকে দেওয়া যায় তার হিসাবও করছে এসপি। সম্প্রতি জেলা সভাপতিদের নিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের ‘জমিনি হকিকৎ’ খতিয়ে দেখা হয়েছে। সূত্রের বক্তব্য, কংগ্রেসকে আসন ছাড়ার পক্ষে নয় দলের নেতা কর্মীরা। তবে সব দিক খতিয়ে দেখে কংগ্রেসের দিল্লির নেতাদের মতামত জানাতে বলা হয়েছে।
গত সপ্তাহেই দিল্লি এসেছিলেন এসপি-র সহ সভাপতি কিরণময় নন্দ। সূত্রের খবর, দিল্লির কিছু কংগ্রেস নেতার সঙ্গে কথাবার্তা হয়েছে তাঁর। এ কথাও ঘরোয়াভাবে জানানো হচ্ছে, ৫০টির বেশি আসন কংগ্রেসকে দেওয়ার প্রশ্নই উঠছে না। কিরণময়ের কথায়, ‘‘আমরা ৩০০টি আসনে জোরদার লড়াই এবং জেতার লক্ষ্য রেখে বুথ স্তর থেকে তৈরি হচ্ছি। বাংলায় যে কারণে তৃণমূল হেরেছে, সেই একই পরিস্থিতি উত্তরপ্রদেশে বিজেপির। গত দশ বছরে তাদের সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ চরম জায়গায়।’’ তিনি বলছেন, ‘‘রাজ্যের ভোটারের প্রায় ১৬ শতাংশ ব্রাহ্মণ এবং তাঁদের উপর সমানে অত্যাচার হয়েছে। ২০১২ সালে এসপি-কে সমর্থন দিয়েছিল ব্রাহ্মণ সমাজ, আমরা জিতেছিলাম। ২০১৭ এবং ২২-এ বিজেপি পেয়েছিল ব্রাহ্মণ ভোট। এ বার তাঁরা আমাদের সঙ্গে।’’
৫ অগস্ট দলের প্রয়াত ব্রাহ্মণ নেতা তথা প্রাক্তন সহ-সভাপতি জনেশ্বর মিশ্রের জন্মদিনে লখনউয়ে জনেশ্বর মিশ্র পার্কে ব্রাহ্মণ সমাবেশের প্রস্ততি চলছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই সমাবেশে মঞ্চ তৈরির অনুমতি না দেওয়ায় মাঠেই চাদর পেতে সমাবেশ হবে। বিষয়টি তাদের রাজনৈতিক ভাবে সুবিধা করে দিয়েছে, দাবি এসপি-র।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে