SIR in Kerala

এসআইআর পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি: কেরল সরকারের দায়ের করা মামলায় কমিশনকে নোটিস পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট

ডিসেম্বরে কেরলে আঞ্চলিক নির্বাচন রয়েছে। এ অবস্থায় নির্বাচন এবং এসআইআরের কাজ একসঙ্গে চললে প্রশাসনের দৈনন্দিন কাজকর্মে প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে কেরল সরকার।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২১ নভেম্বর ২০২৫ ১৯:২৩
Share:

এসআইআর নিয়ে কেরল সরকারের মামলায় কমিশনের বক্তব্য জানতে চাইল আদালত। —প্রতীকী চিত্র।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর কাজ পিছিয়ে দেওয়ার মামলায় নির্বাচন কমিশনকে নোটিস পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট। এসআইআর-এর কাজ পিছিয়ে দেওয়ার আর্জিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কেরল সরকার। সামনেই কেরলে আঞ্চলিক নির্বাচন (পুরসভা এবং পঞ্চায়েত ভোট) রয়েছে। ওই নির্বাচন পর্ব মিটে যাওয়া পর্যন্ত যাতে এসআইআর পিছিয়ে দেওয়া হয়, সেই আবেদন জানায় কেরল। শুক্রবার ওই মামলায় কমিশনকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

Advertisement

শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি এসভিএন ভাট্টির বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। সেখানে কেরল সরকারের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। আঞ্চলিক নির্বাচন এবং এসআইআর প্রক্রিয়া দু’টিই একসঙ্গে চলার কারণে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তা আদালতে তুলে ধরেন তিনি। সিব্বলের বক্তব্য শোনার পরে সুপ্রিম কোর্ট নোটিস পাঠিয়ে কমিশনের বক্তব্য জানতে চেয়েছে। আগামী ২৬ নভেম্বর (বুধবার) মামলাটি শুনবে তিন বিচারপতির বেঞ্চ।

আগামী মাসেই কেরলে দু’দফায় (৯ এবং ১১ ডিসেম্বর) আঞ্চলিক নির্বাচন রয়েছে। গণনা হবে ১২ ডিসেম্বর। গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়া শেষ হবে ১৮ ডিসেম্বর। এ অবস্থায় নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর্যন্ত যাতে এসআইআর-এর কাজ পিছিয়ে দেওয়া হয়, সেই আবেদন জানিয়েছে কেরল সরকার। মামলাকারী পক্ষের বক্তব্য, দু’টি প্রক্রিয়া একসঙ্গে চললে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হবে। এর ফলে নির্বাচনের প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

Advertisement

কেরল সরকারের বক্তব্য, নির্বাচন পরিচালনার জন্য ৬৮ হাজার নিরাপত্তাকর্মী ছাড়াও ১ লক্ষ ৭৬ হাজার সরকারি কর্মী প্রয়োজন। এর পাশাপাশি এসআইআর-এর কাজের জন্যও ২৫,৬৬৮ জন কর্মীর প্রয়োজন হচ্ছে। এ অবস্থায় দু’টি প্রক্রিয়া একসঙ্গে চললে প্রশাসনের উপর প্রবল চাপ তৈরি হবে এবং দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজকর্মে অচলাবস্থা তৈরি হবে বলে মনে করছে তারা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement