Bhopal Mysterious Death

ত্বিশার রহস্যমৃত্যু: ফাঁস দেওয়া সেই বেল্ট ময়নাতদন্তের সময়ে নিয়েই যাওয়া হয়নি! ফরেনসিক পরীক্ষায় ‘ত্রুটি’ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

ত্বিশার দেহের ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়ায় বেল্টটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারত বলেই মনে করা হচ্ছে। তাঁর গলায় ফাঁসের যে দাগ পাওয়া গিয়েছে, সেটির সঙ্গে বেল্টটি মিলিয়ে দেখার সুযোগ ছিল। কিন্তু ময়নাতদন্তের সময়ে সেটি নিয়ে যাওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ মে ২০২৬ ১০:০৪
Share:

ত্বিশা শর্মা। গত ১২ মে ভোপালে শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাঁর ঝুলন্ত দেহ। — ফাইল চিত্র।

ভোপালে ত্বিশা শর্মার রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় কি সঠিক ভাবে ময়নাতদন্ত হয়েছিল? এ বার সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়ে উঠল। শ্বশুরবাড়িতে একটি বেল্ট থেকে ঝুলছিল ত্বিশার দেহ। অথচ সেই বেল্টটি ময়নাতদন্তের সময়ে নিয়ে যাওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

Advertisement

ত্বিশার দেহ উদ্ধারের পর থেকেই পরিবার দাবি করে আসছে, তাঁকে খুন করা হয়েছে। শ্বশুরবাড়়ির সদস্যদের দিকেই আঙুল তুলে আসছে পরিবার। দ্বিতীয় বার দেহের ময়নাতদন্তেরও দাবি জানিয়েছে নিহতের পরিবার। এরই মধ্যে ময়নাতদন্তে ‘ত্রুটি’র তত্ত্ব উঠে আসায় সেই দাবি আরও জোরালো হল বলেই মনে করা হচ্ছে।

ত্বিশার দেহের ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়ায় ওই বেল্টটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারত বলেই মনে করা হচ্ছে। তাঁর গলায় ফাঁসের যে দাগ পাওয়া গিয়েছে, সেটির সঙ্গে বেল্টটি মিলিয়ে দেখার সুযোগ ছিল। কিন্তু তদন্তকারী আধিকারিক বেল্টটি ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে না় যাওয়ার ফলে তা সম্ভব হয়নি।

Advertisement

আধিকারিক সূত্রে ‘নিউজ় ১৮’ জানাচ্ছে, ফাঁস দেওয়ার সময়ে যে বস্তুটি ব্যবহার করা হয়েছিল, ফরেনসিক পরীক্ষার সময়ে প্রোটোকল অনুযায়ী সেটি জমা দেওয়া উচিত তদন্তকারী আধিকারিকের। যাতে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞেরা গলার দাগের সঙ্গে বস্তুটি মিলিয়ে দেখতে পারেন, সেই জন্যই তা দেওয়া উচিত। তবে এ ক্ষেত্রে ওই বেল্ট ছাড়াই ত্বিশার দেহের ময়নাতদন্ত হয়ে যায়। জানা যাচ্ছে, ওই ‘ত্রুটি’ শুধরে নিতে পরে উদ্যোগী হয়েছেন কর্তৃপক্ষ। ওই বেল্টটি ইতিমধ্যে ভোপাল এমসে পাঠানো হয়েছে যাচাই করার জন্য।

এমবিএ স্নাতক ত্বিশার বাড়ি উত্তরপ্রদেশের নয়ডায়। দিল্লির এক সংস্থায় কাজ করতেন তিনি। গত বছরের ডিসেম্বরে মধ্যপ্রদেশের ভোপালের বাসিন্দা আইনজীবী সমর্থ সিংহকে বিয়ে করেন তিনি। সমর্থের মা গিরিবালা সিংহ একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক। গত ১২ মে ভোপালে শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাঁর দেহ। ত্বিশার মৃত্যুর পরে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুলেছে পরিবার। শুধু তা-ই নয়, গিরিবালা অবসরপ্রাপ্ত বিচারক হওয়ায় তদন্তে প্রভাবও খাটাচ্ছেন বলেও অভিযোগ।

খুনের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে। বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement