সরলা মাহেশ্বরী। ছবি: সংগৃহীত।
ভারতে নতুন আসা টেলিভিশন যন্ত্রটিতে সরাসরি সম্প্রচার যখন মাত্র কয়েক ঘণ্টার, দূরদর্শনে সরলা মাহেশ্বরীর যাত্রার প্রথম মাইলফলকটি সেই কালে প্রোথিত। ক্রমে সাদা-কালো টেলিভিশন রঙিন হল, ডিশ অ্যান্টেনা বেয়ে এল কেব্ল টিভি। ১৯৭৬ থেকে ২০০৫, প্রায় তিন দশক ধরে একটি দ্রুত পরিবর্তনশীল সময়ের সঙ্গে হাঁটতে হাঁটতেই তার ধারাবিবরণী শুনিয়ে কর্মজীবন থেকে ছুটি নিয়েছিলেন সরলা। একাত্তরে এসে আজ ছুটি নিলেন জীবন থেকে।
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচ ডি করতে করতেই ঘোষিকা হিসেবে ১৯৭৬ সালে দূরদর্শনে যোগ দেন সরলা। দূরদর্শনের একেবারে সূচনালগ্নে সরাসরি সম্প্রচারে যাঁরা খবর পড়েছেন, যাঁরা ছিলেনআশি ও নব্বইয়ের দশকের দূরদর্শন সংবাদের ‘মুখ’, সরলা তাঁদের অন্যতম। ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত বিবিসি-তে খবর পড়েছিলেন সরলা। ব্রিটেন থেকে ফিরে ছিয়াশিতে আবার দূরদর্শন। সেখান থেকেই অবসর। আজ সরলার দীর্ঘ যাত্রা, তাঁর কণ্ঠ, উচ্চারণ ও অনন্য উপস্থাপনার স্মৃতিচারণেই তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েছে দূরদর্শন। মৃত্যুসংবাদটি ঘোষণা করেন সরলার বন্ধু তথা তাঁর সঙ্গে এক পর্দায় বহু খবর পড়া শাম্মি নারঙ্গ। সমাজমাধ্যমেও শ্রদ্ধা জানান অনেকে। দিল্লির নিগমবোধ ঘাটে আজ সরলার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে