টুইটার মারফত খবর পেয়ে আবারও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। ৪ জুলাই নিউ ইয়র্কবাসী মহারাষ্ট্রের ছেলে চন্দন গাভাই তাঁর স্ত্রী মনীষা ও মা-বাবার সঙ্গে একটি অনুষ্ঠান দেখে ফিরছিলেন। আর সে সময়েই আচমকা লঙ্গ আইল্যান্ড এলাকায় উল্টো দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লাগে তাঁদের গাড়ির। ঘটনায় চন্দন এবং তাঁর মা-বাবার মৃত্যু হয়েছে। তবে মনীষা হাসপাতালে কোমায় রয়েছেন। কিন্তু চন্দন বা তাঁর মা-বাবার শেষকৃত্য এখনও সম্পন্ন হয়নি। তাঁদের এক আত্মীয় শুক্রবার টুইটারে সুষমাকে এই কথাই জানান। বলেন, চন্দনদের দেহ ভারতে ফিরিয়ে আনা যায়নি। কিন্তু আমেরিকাতেই তাঁদের দাহ করার উপায় আছে কি না, তা জানতে চান তিনি। নিউ ইয়র্কে ভারতের কনসাল জেনারেলের সঙ্গে কথা বলে শনিবারই টুইটের উত্তর দেন সুষমা। চন্দনের মা-বাবার দেহ দাহ করা যাবে বলে আশ্বস্তও করেন তিনি। কিন্তু স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া চন্দনের দেহ দাহ করা অসম্ভব। তাই মনীষার জ্ঞান না ফেরা পর্যন্ত চন্দনকে দাহ না করার সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে।