নতুন আইনেও বদলায়নি ছবিটা। যেন ১৬ ডিসেম্বরের পুনরাবৃত্তি। এ বার স্থান ভোপাল। সময় রাত ১১টার কিছু পরে। তবে দিল্লির নির্ভয়ার মতো তাঁর সঙ্গে ছিল না কোনও পুরুষ-বন্ধু। এ বারও চলন্ত বাসে ধর্ষণের শিকার হলেন আর এক মহিলা।
পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ওই মহিলা একাই ছিলেন। রাত ১১টার পরে চোলা এলাকা থেকে তিনি বাসে ওঠেন। কিন্তু যেখানে তাঁর নামার কথা ছিল, সেখানে বাস দাঁড়ায়নি। সেই স্টপ ছাড়িয়ে নির্জন জায়গায় চলে যায় বাসটি। ওই এলাকায় চলন্ত বাসেই মহিলাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
মহিলা পুলিশে অভিযোগ জানানোর পরে পণ্ডিত নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পণ্ডিতের সঙ্গে ছিল আরও দু’জন। তার মধ্যে এক জন মিনিবাসের চালক। তৃতীয় ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানায়নি পুলিশ।
উত্তরপ্রদেশের সীতাপুরে গণ-ধর্ষণে অভিযুক্ত তিন যুবকের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ করায়, নিগৃহীতা ও তার পরিবারকে ‘শেষ’ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে অভিযুক্তরা। ভয়ে ১৭ বছরের ওই নির্যাতিতা ও তার মা জানিয়েছে, তারা ইট দিয়ে ঘরের দরজা-জানলা বন্ধ করে রেখেছে। প্রতিবেশীদের বক্তব্য, শুধুমাত্র ডাকা হলেই মা-মেয়েকে বাইরে বেরোতে দেখা যায়। গত ২৮ অগস্ট মেয়েটিকে গণধর্ষণ করা হয়। তারপর পুলিশে অভিযোগ করা হলে মাত্র এক বারই পুলিশ গ্রামে আসে। এ দিকে মামলা তুলে না নেওয়া হলে খুন করবে বলে বাড়ি এসে শাসিয়ে গিয়েছে অভিযুক্ত ব্যক্তি।
নাগপুরে এক ২০ বছরের যুবতীকে ধর্ষণ করে খুন করার অভিযোগে আরও এক বাস-চালককে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেরায় ওই চালক স্বীকার করেছে, তার সঙ্গে মেয়েটির সম্পর্ক ছিল।