সীমান্তে অনুপ্রবেশ বন্ধের দাবি আসুর

বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা অসমের জেলাগুলিতে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য অনুপ্রবেশকে দায়ী করে অবিলম্বে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রত্যার্পণ চুক্তি স্বাক্ষরে জোর দিল আসু। গত কাল কেন্দ্র ২০১১ সালের সুমারি রিপোর্টের ধর্মভিত্তিক জনবিভাজনের খতিয়ান প্রকাশ করেছে। অসমে মুসলিম জনসংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৪.২২ শতাংশ। হিন্দু জনসংখ্যা ৬১.৪৬ শতাংশ।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ অগস্ট ২০১৫ ০৩:২৮
Share:

বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা অসমের জেলাগুলিতে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য অনুপ্রবেশকে দায়ী করে অবিলম্বে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রত্যার্পণ চুক্তি স্বাক্ষরে জোর দিল আসু। গত কাল কেন্দ্র ২০১১ সালের সুমারি রিপোর্টের ধর্মভিত্তিক জনবিভাজনের খতিয়ান প্রকাশ করেছে। অসমে মুসলিম জনসংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৪.২২ শতাংশ। হিন্দু জনসংখ্যা ৬১.৪৬ শতাংশ। ২০০১ সালে রাজ্যে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ৩০.৯ শতাংশ। ২০০১ সালে রাজ্যে ৬টি জেলায় মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। ২০১১ সালের হিসাবে রাজ্যে বরপেটা, ধুবুরি, করিমগঞ্জ, গোয়ালপাড়া, বঙাইগাঁও, হাইলাকান্দি, গোয়ালপাড়া, নগাঁও ও মরিগাঁওতে মুসলিমরা সংখ্যাগুরু। তার মধ্যে ধুবুরিতে মুসলিম জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৭৯.৬৭ শতাংশ। বরপেটায় ২০০১ সালে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ৫৯ শতাংশ। ২০১১ সালে তা বেড়ে ৭০.৭৩ শতাংশ হয়েছে। করিমগঞ্জে এই হার ৫২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫৬.২৬ শতাংশ হয়েছে। নগাঁওতে তা ৪ শতাংশ ও হাইলান্দিতে ৩ শতাংশ বেড়েছে। ওই সব জেলায় হিন্দু জনবৃদ্ধির হার কমেছে। আসুর দাবি, বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষা জেলাগুলিতেই মুসলিমদের সংখ্যা বেশি বাড়ছে। যার প্রধান কারণ অনুপ্রবেশ। অসম সরকার বার বার বলেছে, চিহ্নিত হওয়া বাংলাদেশিদের ‘পুশ-ব্যাক’ করতে বাংলাদেশ সরকার সাহায্য করে না। তাঁদের ফেরত নেয় না বিজিবি। আসু অবিলম্বে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রত্যাপর্ণ চুক্তির দাবি তুলেছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement