Comb to reduce hair fall

বাঁশ, নিমকাঠ না লেজ়ার, চুলের জন্য কেমন চিরুনি ভাল? কোনটি ব্যবহারে চুল পড়া বন্ধ হবে?

চুলের যত্ন নিতে তেল মাখা, প্যাক লাগানো, শ্যাম্পু করার মতো অনেক কিছুই করেন। কিন্তু সঠিক চিরুনি ব্যবহার করেন কি? চুলের জন্য কেমন চিরুনি ভাল, তা জেনে নেওয়া জরুরি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০২৬ ১৩:৫৯
Share:

চিরুনি কেমন হওয়া ভাল, বাঁশ, কাঠ না লেজ়ারের? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

চুলের যত্ন নিতে কত কী-ই না করা হয়। দামি শ্যাম্পু, তেল, সিরাম, কন্ডিশনার বা ঘরোয়া হেয়ার প্যাক ব্যবহার করেন। দামি প্রসাধনীও কিনে ফেলেন। কিন্তু যে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয় বেশির ভাগ সময়েই, তা হল চিরুনি। চুল আঁচড়ালেই হল, এমন ভাবনা অধিকাংশেরই। অথচ ভুল চিরুনির ব্যবহার কিন্তু চুল পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ হতে পারে। এখন প্লাস্টিকের চিরুনির ব্যবহারই বেশি। অথচ এক সময়ে কাঠের বা বাঁশের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানো হত বেশি। তার মধ্যে একটি নিমকাঠের চিরুনি। এখনকার সময়ে প্রসাধনীর নানা চাকচিক্যের ভিড়ে যা প্রায় হারিয়েই যেতে বসেছে। চিরুনিরও রকমফের আছে। তাদের উপকারিতাও ভিন্ন।

Advertisement

নিমকাঠের চিরুনি

নিমকাঠের চিরুনি

নিমকাঠ জীবাণুনাশক। এর অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল ও অ্যন্টি-ফাঙ্গাল গুণ রয়েছে। নিমকাঠের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ালে খুশকির সমস্যা কমে। চুল পড়াও বন্ধ হয়। মাথার ত্বকের চুলকানি বা সংক্রমণ রোধেও নিম উপকারী। নিমকাঠের চিরুনির আরও কিছু গুণ রয়েছে। এর দাঁড়াগুলি ধারালো হয় না, বরং মসৃণ ও ভোঁতা হয়। তাই চুল আঁচড়ানোর সময়ে মাথার ত্বকের মালিশ হয় এবং এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে যা চুলের গোড়া শক্ত করে ও নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। মাথার ত্বকে চুলকানি বা খুশকির সমস্যা যাঁদের বেশি, তাঁদের জন্য নিমকাঠের চিরুনি বেশি উপযোগী হতে পারে।

Advertisement

বাঁশের চিরুনি

বাঁশের চিরুনি

প্লাস্টিকের চিরুনির চেয়ে বাঁশের চিরুনির জনপ্রিয়তা এখন বেশি। নানা আকার ও নকশার বাঁশের চিরুনি পাওয়া যায় অনলাইনেও। বাঁশের চিরুনি প্লাস্টিকের চেয়ে হালকা, টেকসই ও চুলের জন্য বেশি ভাল। এমন চিরুনি ব্যবহার করলে চুল পড়া কমে, চুলে সহজে জট পড়ে না। যাঁদের চুল খুব রুক্ষ এবং ডগা ফাটার সমস্যা বেশি, তাঁরা বাঁশের চিরুনি ব্যবহার করলে উপকার পেতে পারেন।

লেজ়ার চিরুনি

লেজ়ার চিরুনি

চুল পড়া বন্ধ করতে ও নতুন চুল গজাতে লেজ়ার চিরুনির ব্যবহার বেড়েছে। বিশেষ ধরনের এই চিরুনিটি থেকে লেজ়ার রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়। সেই আলো চুলের গোড়ায় অক্সিজেন চলাচল বৃদ্ধি করে। ফলে চুল পড়ে যাওয়ার পরেও নতুন চুল গজানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়। অনেকেই ভাবেন যে লেজ়ার রশ্মি মাথার ত্বকে ঢুকলে তা ক্ষতিকর হতে পারে। তবে চিকিৎসেরা বলছেন, এই ধরনের চিরুনিতে খুব মৃদু লেজ়ার রশ্মি ব্যবহার করা হয়। এই চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়াতে হয় খুব ধীরেসুস্থে যাতে লেজ়ার রশ্মি ভাল করে চুলের গোড়াগুলিতে পৌঁছতে পারে। এটি ব্যবহারের কিছু নিয়ম আছে। মাথায় ভাল করে শ্যাম্পু করে চুল সম্পূর্ণ শুকিয়ে তার পর ব্যবহার করতে হয়। ভিজে চুলে বা জেল অথবা সিরাম লাগিয়ে তার পর এই চিরুনি ব্যবহার করা যায় না। ত্বকের কোনও সংক্রমণ বা মাথায় সোরিয়াসিস থাকলে, লেজ়ার চিরুনি ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement