ছবি: সংগৃহীত।
নাম ‘বেবি হেয়ার’। আর বেবি অর্থাৎ শিশুর মতোই তারা খানিক একগুঁয়ে। কিছুতেই সামলানো যায় না তাদের। চুল বাঁধুন বা খুলে রাখুন, কপাল জুড়ে এলোমেলো হয়ে ছড়িয়ে থাকে। কারও কারও এমন এলোমেলো ভাব ভাল লাগতে পারে। তবে অনেকেরই বিষয়টি অপরিচ্ছন্ন দেখতে লাগে। আর সেই অপরিচ্ছন্ন ভাব দূর করতে চাইলে কয়েকটি সহজ উপায় নেওয়া যেতে পারে।
বেবি হেয়ার বা কপালে সামনে গজানো ছোট ছোট চুল যাকে শুদ্ধ বাংলায় ‘চূর্ণ কেশ’ বলা হয়, তা অনেক সময় সাজ নষ্ট করে দেয়। তবে সঠিক কিছু উপায় জানা থাকলে খুব সহজেই এদের বাগে আনা সম্ভব।
১. পুরনো টুথব্রাশ ও হেয়ার স্প্রে
একটি পরিষ্কার পুরনো টুথব্রাশে অল্প হেয়ার স্প্রে ছিটিয়ে নিন। এবার ব্রাশটি দিয়ে আলতো করে বেবি হেয়ারগুলো চুলের মূল অংশের সাথে আঁচড়ে বসিয়ে দিন। এটি চুলকে শক্ত না করেই সারা দিন সেট করে রাখবে।
২. লিপবাম বা ভ্যাসলিনের ব্যবহার
যদি হাতের কাছে হেয়ার স্প্রে না থাকে, খুব সামান্য পরিমাণে লিপবাম বা ভ্যাসলিন আঙুলের ডগায় নিন। বেবি হেয়ারের ওপর হালকা করে বুলিয়ে দিন।খুব বেশি ব্যবহার করবেন না, তাতে চুল চটচটে বা তৈলাক্ত দেখাতে পারে।
৩. মাসকারা ওয়ান্ড
যদি স্বচ্ছ বা ক্লিয়ার মাসকারা থাকে, তবে সেটি বেবি হেয়ার সেট করার জন্য ভাল কাজ করে। এমনকি শেষ হয়ে যাওয়া মাসকারা ব্রাশ পরিষ্কার করে তাতে সামান্য অ্যালোভেরা জেল লাগিয়েও ব্যবহার করতে পারেন।
৪. সঠিক চিরুনি নির্বাচন
বেবি হেয়ার সামলাতে বড় দাঁতের চিরুনির চেয়ে সরু দাঁতের চিরুনি বা বিশেষায়িত হেয়ার স্টাইলিং ব্রাশ বেশি কার্যকর। চুল বাঁধার সময় এগুলো ব্যবহার করলে ফিনিশিং মসৃণ হয়।
৫. সিল্কের বালিশের কভার
অগোছালো বেবি হেয়ারের অন্যতম কারণ হলো ঘর্ষণ। সুতির বালিশের বদলে সিল্ক বা স্যাটিনের বালিশের কভার ব্যবহার করলে রাতে ঘুমানোর সময় চুলে ঘর্ষণ কম হয়, ফলে সকালে চুল তুলনামূলক কম ওড়ে।
৬. হেয়ার জেল বা ওয়্যাক্স স্টিক
যাঁদের বেবি হেয়ার খুব বেশি অবাধ্য, তাঁরা হেয়ার ওয়্যাক্স স্টিক ব্যবহার করতে পারেন। এটি সরাসরি চুলের ওপর বুলিয়ে নিলেই চুল সেট হয়ে যায় এবং কোনো সাদা আস্তর ফেলে না।