স্বল্প মেকআপেও নজরকাড়া সৌন্দর্য পাওয়া যায় কৌশল জানলে। ছবি:সংগৃহীত।
সাজ হবে এমন, যা ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই, বেশি না আবার কমও নয়। সেই সাজেই নজর কাড়া যাবে সকলের। পেশাদার রূপটান শিল্পীরা এমন ভাবে সাজাতে পারেন বটে, কিন্তু সব সময় তো সালোঁয় গিয়ে বা শিল্পীদের হাতে সাজা যায় না। শিখে নিন রূপটানের এমন কৌশল, যেখান সাজা যাবে সহজে আবার বয়সও দেখাবে তুলনামূলক ভাবে কম।
গ্লো ক্রিম: ফাউন্ডেশন মেখে ফেললেই মেকআপ হয় না। ত্বকের প্রস্তুতিও জরুরি। এখন আর স্নো-পাউডার মাখা চড়া দাগের মেকআপও চলে না। প্রথমেই মুখ পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজ়ার মেখে নিন। ত্বক বুঝে ময়েশ্চারাইজ়ার বাছাই জরুরি। তার পর দরকার প্রাইমার। প্রাইমার ত্বকের খুঁত ঢেকে মসৃণ পরত তৈরি করবে। এর উপর ফাউন্ডেশন মাখলে মুখ চকচক করবে। ফাউন্ডশনের সঙ্গে মিশিয়ে নিন ‘লুমি ক্রিম’। বিভিন্ন কোম্পানির লুমি ক্রিম রয়েছে। এটি মুখে শিশিরের মতো কোমল আভা আনে। ফলে ত্বক দেখায় চকচকে। বয়সের ছাপ ঢাকা পড়ে যায়।
ব্লাশ: সৌন্দর্য বাড়বে সঠিক ব্লাশের ছোঁয়ায়। ত্বকের ধরন শুষ্ক হলে বেছে নিতে পারেন ক্রিম ব্লাশ। যদিও গরমের দিনে পাউডার ব্লাশই ভাল। ত্বকের বর্ণ বুঝে মানানসই ব্লাশ বাছতে হবে। ব্লাশের ছোঁয়ায় মুখ চকচকে হয়ে উঠলে দেখাবে নজরকাড়া।
ঠোঁটে কারিকুরি
লিপস্টিকের দৌলতেও বদলাতে যায় মুখের সৌন্দর্য। ছবি:সংগৃহীত।
ঠোঁট পাতলা হলে একটু বাইরে দিয়ে লিপ লাইনার টেনে ভরাট করে নিন। তবে ঠোঁটে যেন আর্দ্রতার অভাব না হয়। বাম বা হালকা রঙের ক্রিমি লিপস্টিক দিয়ে ঠোঁট ভরাট করে নিন। লিপলাইনার আর ঠোঁটে ব্যবহার করা লিপস্টিক অথবা লিপ বাম ভাল করে মিশিয়ে নিতে হবে, যেন রঙের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকে। ঠোঁটের ভেজা ভাবই নজর কাড়বে।