দামি প্রসাধনী ব্যবহার করেন না ঋদ্ধিমা কপূর। ছবি: সংগৃহীত।
ঘরোয়া টোটকায় ভরসা নেই রণবীর কপূরের দিদি ঋদ্ধিমা কপূর সাহানির। ত্বকচর্চা, কেশচর্চায় বাজারজাত প্রসাধনী, ট্রিটমেন্টেই উপকৃত হয়েছেন তিনি। তা বলে কোরীয় প্রভাবে ১০ ধাপ, ১৫ ধাপে ত্বকচর্চা করেন না। সাদামাঠা, ন্যূনতম প্রসাধনী দিয়েই ত্বকের যত্ন নেন। ৪৪ বছরের তারকাসন্তানের কথায়, ‘‘খুব ছিমছাম, বাহুল্যবর্জিত ত্বকচর্চায় বিশ্বাসী আমি। ক্রিম কিনি, মাখি। দিনে দু’বার ত্বকের যত্ন নিয়েই পালা চুকিয়ে ফেলি।’’ ঋষি কপূরের কন্যার মতে, তাঁর রূপের রহস্য এতেই লুকিয়ে।
বাহুল্যবর্জিত ত্বকচর্চায় বিশ্বাসী ঋদ্ধিমা। ছবি: সংগৃহীত
তিন ধাপে ত্বকচর্চা করেন ঋদ্ধিমা—
· ক্লিনজ়িং, অর্থাৎ ফেসওয়াশ বা ক্লিনজ়ার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা।
· টোনিং, অর্থাৎ ফেসওয়াশের পর ত্বকের গভীরে জমে থাকা ময়লা, অতিরিক্ত তেল ও মেকআপের অবশিষ্টাংশ পরিষ্কার করা।
· ময়েশ্চারাইজ়িং, অর্থাৎ ত্বকে আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনা।
নিজের মুখে প্রসাধনীর ভিড় তাঁর পছন্দ নয়। এতে ত্বক নিঃশ্বাস নেওয়ার অবকাশ পায় না। কপূর পরিবারের কন্যা হয়েও ব্যয়বহুল, দামি প্রসাধনী ব্যবহার করেন না ঋদ্ধিমা। বরং তেমন প্রসাধনীই তিনি সাজঘরে রেখেছেন, যা সাশ্রয়ী এবং তাঁর ত্বকে কাজ করে। দরকারে পুরনো দিনের প্রসাধন পণ্যও ব্যবহার করেন। শীতের সময়ে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে গেলে সাদামাঠা ময়েশ্চারাইজ়ারই বেশি করে মাখেন। তবে একই সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করার অভ্যাস বজায় রাখার চেষ্টা করেন ঋদ্ধিমা। রাতে ঘুমোনোর আগে ত্বকের উপর ভারী ময়েশ্চারাইজ়ারের পুরু প্রলেপ দিয়ে ত্বকচর্চা করেন। ফলে সকালে উঠে কোমল থাকে ত্বক।
চুলের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রেও ঘরোয়া কৌশলে বিশ্বাস নেই ঋদ্ধিমার। কেবল ভাল মানের শ্যাম্পু ব্যবহার করেন। তার পর কন্ডিশনার এবং সিরাম মেখে কেশচর্চা সম্পন্ন হয়ে যায়।
যে সময়ে মানুষ ঘরোয়া টোটকার ট্রেন্ডে গা ভাসাচ্ছেন, তখন তা থেকে বেরিয়ে আসার পক্ষপাতী ঋদ্ধিমা। সাদামাঠা রূপচর্চার এই শিক্ষা তিনি তাঁর মায়ের থেকে পেয়েছেন বলেই জানিয়েছেন। উপায় সহজ হলেও রোজ না মেনে চললে উপকার মিলবে না বলেই জানাচ্ছেন তিনি।