শাহিদ কপূর। ছবি: সংগৃহীত।
নতুন ছবির প্রচারের কাজে বেশ ব্যস্ত অভিনেতা শাহিদ কপূর। ১৩ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে শাহিদ কপূর ও তৃপ্তি দিমরি অভিনীত ‘ও’রোমিও’। তার আগেই নিজের সাজপোশাক নিয়ে আলোচনায় বসলেন অভিনেতা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শাহিদ জানিয়েছেন, সময়ের সঙ্গে কী ভাবে ফ্যাশনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কে বদল এসেছে।
সালটা ছিল ২০০৩।‘ইশ্ক ভিশ্ক’ ছবি দিয়ে বলিউডে পা রাখেন শাহিদ। প্রথম ছবিতেই দর্শকের মন জয় করে নেন তিনি। শাহিদ বলেন, ‘‘যখন আমি কাজ শুরু করি, তখন ফ্যাশন ছিল সম্পূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়। আজকাল, কিন্তু ফ্যাশন বিষয়টি পুরোটাই নির্ভর করে ব্যক্তিগত পছন্দের উপর। আমি এমন পোশাক পরি যা আমার ব্যক্তিত্বকে প্রতিফলিত করে, সঙ্গে অবশ্যই আরামের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হয়। আমি এমন ট্রেন্ড বেছে নিই যা আমার আমার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই হয়। আমার স্টাইল আমার সৃজনশীলতার সঙ্গে বিকশিত হয়। কখনও তা সকলকে দেখানোর জন্য, কখনও কেবল নিজের জন্য।’’
সারা দুনিয়ায় ফ্যাশন জগতে কী চলছে সে বিষয়ে খবরাখবর রাখেন শাহিদ। তবে সব সময় ফ্যাশন ট্রেন্ডে গা ভাসাতে পছন্দ করেন না তিনি।
অভিনেতা বলেন, ‘‘আমি বিশ্বব্যাপী ট্রেন্ড সম্পর্কে সচেতন থাকতে পছন্দ করি। তবে আমি কেবল সেই পোশাকই বেছে নিই যা আমার মনে হয় আমাকে ভাল মানবে। পোশাক বাছাইয়ের সময় সেটি আরামদায়ক কি না, তা সবচেয়ে আগে মাথায় আসে। ওটা আমার কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। আমি যা পরেছি তাতে যদি আমি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ না করি, তা হলে সেই পোশাক আমি ভুলেও পরব না।’’
শাহিদের মতে, ফ্যাশন সংক্রান্ত বিষয়ে আগে তিনি বেশ কিছু ভুল করেছেন। তবে ভুল থেকেই তিনি বারে বারে শিখেছেন।
ছেলেদের আলমারিতে কোন কোন পোশাক রাখতেই হবে?
শাহিদের মতে পাঁচ রকম পোশাক সব ছেলেদের আলমারিতে থাকা জরুরি। শাহিদ বলেন, ‘‘একটা ভাল কালো শ্যুট রাখতেই হবে। এর পাশাপাশি কয়েকটি ট্র্যাক স্যুট অবশ্যই রাখতে হবে। ভ্রমণে গিয়ে আরাম করার জন্য এগুলি ভীষণ জরুরি। এ ছাড়া আলমারিতে একটা সাদা শার্ট আর একটি ফর্ম্যাল ট্রাউজ়ার রাখতেই হবে। সাবেকি পোশাক ভুললে কিন্তু চলবে না। আর চাই সুইমিং ট্রাঙ্ক। ছুটি কাটাতে গিয়ে কোথাও পুল দেখলে যেন পোশাকের কথা ভাবতে না হয়।’’
খুব বেশি জমকালো পোশাক শাহিদ ভীষণ অপছন্দ করেন। তিনি বলেন, ‘‘খুব বেশি রঙচঙে পোশাক আমার ভাল লাগে না, আমার আলমারিতে সেগুলি দেখতেও পাবেন না।’’
পোশাকের বিষয়ে শাহিদ স্ত্রী মীরা রাজপুতেরও উপরেও ভরসা রাখেন। অভিনেতা বলেন, ‘‘অনেক সময় মীরার সাজ আমার থেকে অনেক বেশি ভাল হয়। ওকে দেখেও আমি অনেক কিছু শিখি।’’