শরীরচর্চা করেই হবে প্রতিশোধ নেওয়া। ছবি: সংগৃহীত
টলিউডের দুই নামজাদা অভিনেত্রীর বিয়ে ভাঙছে বলে খবর। হালে তাঁদের দু’জনের বরকেই দেখা গিয়েছে শরীরচর্চায় মন দিতে। হঠাৎই জিমে যাওয়াআসা বেড়েছে তাঁদের। তবে শুধু তাঁরা দু’জনই নন, এমন উদাহরণ প্রচুর। প্রেম বা বিয়ে ভাঙলেই বেশি মাত্রায় শরীরচর্চা শুরু করেন অনেকে। নিজের শরীরকে সুন্দর করে তুলতে চান তাঁরা। আর এখান থেকে জন্ম ‘প্রতিশোধের শরীর’ বা ‘রিভেঞ্জ বডি’ কথাটি।
২০১০ সালে আমেরিকার এক পত্রিকা প্রথম এই শব্দবন্ধটি ব্যবহার করে। যদিও তার ৯ বছর পরে এসে এই কথাটি সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়। তার কারণ হলিউডের তারকার। জেনিফার অ্যানিস্টন, ব্রিটনি স্পিয়ারসের মতো তারকারা হঠাৎই দেখাতে শুরু করেন তাঁদের ‘রিভেঞ্জ বডি’। তবে এই কথাটিকে সবচেয়ে জনপ্রিয় করে দেন কিম কার্দাশিয়ানের বোন ক্লোয়ি।
কিন্তু এর কারণ কী? অনেকের মতেই, প্রেম বা বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর, প্রাক্তন সঙ্গীকে তাঁরা দেখিয়ে দিতে চান, কী মূল্যবান জিনিস সেই সঙ্গী হারিয়েছেন। তা ছাড়া শরীর সুন্দর হয়ে উঠলে, আসতে থাকে প্রশংসাসূচক নানা মন্তব্যও। সেগুলি যেমন এক দিকে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দেয়, তেমনই প্রাক্তন সঙ্গীর মনে সেগুলি হিংসারও জন্ম দেয়। অনেকেই বলেছেন, এ রকম নানা কারণে তাঁরা প্রেমের বা বিয়ের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর বেশি করে শরীরের যত্ন নেওয়া শুরু করেছেন।
তবে শুধু এগুলিই নয়। রয়েছে আরও একটা কারণ। মনোবিদদের মতে, শরীরচর্চা করলে এমন বেশ কিছু হরমোনের ক্ষরণ হয়, যা মন ভাল রাখে। খুব খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় নিয়মিত শরীরচর্চা করলে তাই মন ভাল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।