ভাতের ফ্যান কী কী ভাবে কাজে লাগাতে পারেন? ছবি: সংগৃহীত।
সব্জির খোসা থেকে ভেজানো চা পাতা হোক বা চালের জল কিংবা ভাতের ফ্যান— হেঁশেলে বেশ কিছু জিনিস ফেলেই দেওয়া হয়। তবে কৌশল জানা থাকলে এমন নানা জিনিসই গেরস্থালির কাজে লাগতে পারে। যেমন চালের জল বা ভাতের ফ্যান। তা দিয়েই যেমন বাসন মাজা যাবে, তেমনই মাড় দেওয়া যাবে শাড়ি-জামাতেও। শিখে নিন পন্থা।
১। ভাতের ফ্যান একটু হড়হড়ে হয়। তার মধ্যে কাপড় ভিজিয়ে নিংড়ে নিন। সেই কাপড়টি দিয়ে টালি বা কাঠের তাক মুছতে পারেন। ভাল পরিষ্কার হবে, টালি চকচকেও দেখাবে।
২। রান্নার কড়াই বা পাত্রে অনেক সময়ে খাবারের অংশ লেগে থাকে, উঠতে চায় না। ঠান্ডা ফ্যান ঢেলে রাখুন সেই পাত্রে। কিছু ক্ষণ ভিজিয়ে রাখার পরে জালি দিয়ে পাত্রটি ঘষুন। তেল, লেগে থাকা খাবারের টুকরো আলগা হয়ে উঠে আসবে। সাবান দিয়ে ভাল করে পাত্রটি পরিষ্কার করে নিন।
৩। ভাতের ফ্যান ঠান্ডা হলে, মাটিতে ঢেলে দিন। ফ্যানে চালের একাধিক পুষ্টিগুণ থাকে। যা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। জবা গাছ বা অন্য ফুলের গাছের গোড়ায় চাল ধোয়া জল কিংবা ফ্যান মাঝেমধ্যে দিতে পারেন।
৪। কাপড়জামায় মাড় হিসাবে ভাতের ফ্যান ব্যবহারের চল বহু দিনের। কাচা জামা বা শাড়ি ফ্যানের মধ্যে মিনিট ৫-৭ ভিজিয়ে হাওয়ায় টান টান করে মেলে দিন। নেতানো কাপড় টানটান এবং একটু শক্ত হয়ে যাবে। ইস্ত্রি করে পরলে নতুনের মতো দেখাবে।