ছবি : সংগৃহীত।
ওয়াশিং মেশিনে কাপড় কাচার সময় সাবান ঢালেন। তার সঙ্গেই ঢালতে হবে আরও একটি তরল। এতে কাপড় যেমন ভাল থাকবে, তেমনই দাগও পরিষ্কার হবে আরও ভাল ভাবে। কৌশলটি ঘরোয়া হলেও বেশ কার্যকর এবং এটি দামী ডিটারজেন্টের পরিপূরক হিসেবেও কাজ করে। আর এই তরল প্রায় সব বাড়িতেই অল্প বিস্তর থাকে। কারণ ওই বিশেষ তরল ব্যবহার হয় রান্নাঘরে। জিনিসটি কী? ভিনিগার। সাধারণ সাদা ভিনিগার। ওয়াশিং মেশিনে কাপড় কাচার সময় এটি দিলে কী হবে? কখনই বা দেবেন জেনে নিন।
১. প্রাকৃতিক ফেব্রিক সফটনার
ভিনেগার কাপড়ের ফাইবারকে নরম করে। কৃত্রিম কন্ডিশনার বা সফটনারে অনেক সময় রাসায়নিক থাকে যা কাপড়ে ক্ষতি করতে পারে, কিন্তু ভিনেগার সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং নিরাপদ।
২. দুর্গন্ধ দূর করতে ও ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করতে
ঘাম বা ভ্যাপসা গন্ধ দূর করতে ভিনেগার অতুলনীয়। সাবানের অবশিষ্টাংশ কাপড়ে জমে থাকলে কাপড় ফ্যাকাশে দেখায়। গাঢ় রঙের কাপড়ে সাদাটে পাউডারের দাগ থেকে যায়। ভিনেগারের এসিটিক অ্যাসিড এই বাড়তি সাবান গলিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। কাপড়কে আরও উজ্জ্বল করে তোলে।
৩. জীবাণুনাশক হিসেবে
ভিনেগারে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণাগুণ রয়েছে, যা কাপড়ের অদৃশ্য জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে মোজা বা অন্তর্বাস ধোয়ার ক্ষেত্রে এটি বেশ কার্যকর।
৪. মেশিনের সুরক্ষা
ভিনেগার মেশিনের ভেতরে জমে থাকা ক্যালসিয়াম বা খনিজ পরিষ্কার করে এবং ভেতরকার দুর্গন্ধ দূর করে মেশিনকেও দীর্ঘস্থায়ী করে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
পরিমাণ: আধা কাপ (১২০ মিলি) ভিনেগারই যথেষ্ট।
কখন: মেশিনের রিন্স সাইকেল চলাকালীন অর্থাৎ যখন কাপড় দ্বিতীয়বার পরিষ্কার জলে ধোয়া হয়, তখন ভিনেগার যোগ করা সবচেয়ে ভালো। অথবা সফটনার রাখার কম্পার্টমেন্টে এটি দিয়ে রাখতে পারেন।
সতর্কতা: সরাসরি কাপড়ের ওপর ভিনেগার ঢালবেন না এবং কখনও ব্লিচের সঙ্গে ভিনেগার মেশাবেন না, কারণ তাতে বিষাক্ত গ্যাস তৈরি হতে পারে।