বিশুদ্ধ মধু চিনবেন কী ভাবে? ছবি: সংগৃহীত।
ঋতুবদলের সময়ে ঠান্ডা লাগা, জ্বর, সর্দি থেকে রক্ষা পেতে চ্যবনপ্রাশ বা ঈষদুষ্ণ জলে মধু মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে? বা ওজন হ্রাসের জন্য সকালে উঠে গরম জলে মধু মিশিয়ে খাচ্ছেন কি? ভাবছেন, উপকার মিলছে। অথচ গলদ রয়ে গিয়েছে গোড়াতেই। দোকান থেকে কেনা মধুই বিশুদ্ধ নয়। ফলে টাকাই কেবল খরচ হচ্ছে, পুষ্টি মিলছে না শরীরে।
আসলে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক সংস্থা তাদের মধু বানানোর সময়ে জল মিশিয়ে পাতলা করে দেয়। কিংবা তাতে থাকে চিনির সিরাপ বা ফ্রুক্টোজ় কর্ন সিরাপ। নির্ভেজাল মধু শনাক্ত করতে তাই বেগ পেতে হয় অনেক ক্ষেত্রেই। মধুতে নানাবিধ উপাদান মেশানোর ফলে সেটি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়, ওজন বাড়ে। অতি-প্রক্রিয়াজাত মধু সকলের স্বাস্থ্যের জন্যই ক্ষতিকারক। কিন্তু খাঁটি মধু স্বাস্থ্যের একাধিক উপকার করে। এটি প্রকৃত অর্থেই পুষ্টির ‘পাওয়ার হাউস’। তাই মধু কেনার আগে সতর্ক থাকতে হবে। কী কী দেখে খাঁটি মধু চিনবেন?
দু’টি সহজ উপায়ে খাঁটি মধু চিনতে পারেন ঘরেই—
আঙুল দিয়ে পরীক্ষা: বুড়ো আঙুলের উপর অল্প এক ফোঁটা মধু ফেলে দিন। খাঁটি মধু পুঁতির মতো বসে থাকবে। কিন্তু যদি তাতে ভেজাল মেশানো থাকে, তা হলে তা চট করে ছড়িয়ে পড়বে চারদিকে।
জল দিয়ে পরীক্ষা: এক গ্লাস জলে এক ফোঁটা মধু ফেলে দিন। বিশুদ্ধ মধু পিণ্ড হয়ে ধীরে ধীরে নেমে যাবে গ্লাসের তলায়। নির্ভেজাল না হলে এক ফোঁটা মধু দ্রুত জলে গলে যাবে এবং ঘুরতে থাকবে।