(বাঁ দিকে) মাসুদ পেজ়েশকিয়ান এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
যুদ্ধবিরতিতে ইতি টেনে নতুন করে সংঘাতের কথা জানিয়ে দিল দু’পক্ষই। আমেরিকার তরফে সোমবার ইরানের গোরুক শহরের রেডার স্টেশন ও কেশম দ্বীপের ড্রোনঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করা হয়েছে। পাল্টা তেহরানের দাবি, তাদের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত একটি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।
পশ্চিম এশিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টিকম) সোমবার জানিয়েছে, আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসাবেই ইরানের রেডার স্টেশন ও ড্রোনঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক জলসীমায় আমেরিকার একটি ‘এমকিউ১’ ড্রোন ধ্বংসের প্রতিক্রিয়াতেই ওই প্রত্যাঘাত বলে সেন্টিকমের দাবি। তারা জানিয়েছে, এর ফলে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, একটি গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন এবং দু’টি আত্মঘাতী ড্রোন ধ্বংস হয়েছে।
অন্য দিকে, মোজ়তবা খামেনেইয়ের দেশের সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ় এজেন্সির দাবি, যে বায়ুসেনাঘাঁটি ব্যবহার করে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমুজ়গান প্রদেশের সিরিক দ্বীপে হামলা চালিয়েছিল, সেটিকেই আইআরজিসি নিশানা করেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েসকিয়ানের সরকার সরাসরি কোনও বিমানঘাঁটির নাম না করলেনও সোমবার কুয়েতের মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। কুয়েত সেনা এর জন্য সরাসরি ইরানকে দায়ী করে বলেছে, ‘‘আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হানাদার ড্রোন এবং ক্ষেপণাত্র সফল ভাবে ধ্বংস করেছে।’’