জানেন কি কতটা সুস্থ আপনার হৃদয়?

বাড়িতে শুয়ে-বসে আলস্যে দিন কাটিয়ে একগুচ্ছ রোগ ডেকে আনার দরকার নেই ঠিক। কিন্তু সকালে হনহন করে হেঁটে বুকে ব্যথা শুরু হলে মুশকিল। আপনার শারীরিক কসরতে শরীরের সায় কতটা দেখতে হবে। তার জন্যই এখন বাজারে চলে এসেছে আধুনিক যন্ত্রপাতি।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ নভেম্বর ২০১৫ ১০:৪২
Share:

বাড়িতে শুয়ে-বসে আলস্যে দিন কাটিয়ে একগুচ্ছ রোগ ডেকে আনার দরকার নেই ঠিক। কিন্তু সকালে হনহন করে হেঁটে বুকে ব্যথা শুরু হলে মুশকিল। আপনার শারীরিক কসরতে শরীরের সায় কতটা দেখতে হবে। তার জন্যই এখন বাজারে চলে এসেছে আধুনিক যন্ত্রপাতি।

Advertisement

১। হার্ট রেট মনিটর: আপনার হৃদয় কী বলছে? বেশি হাঁটাহাঁটিতে বিপদসীমা বেরিয়ে চলে যায়নি তো। বিষয়টা নজরে রাখতে পারেন হার্ট রেট মনিটর দিয়ে। বুকে বাঁধা থাকে সেন্সর ( চেস্ট স্ট্র্যাপ ট্রান্সমিটার) আর কবজির রিসিভারে ফুটে ওঠে হার্ট রেট। এখন আবার স্ট্র্যাপলেসও পাওয়া যাচ্ছে। ঘড়িতে বাঁধা কব্জি কিছুক্ষণ ছুঁয়ে থাকলেই বলে দেয় হৃদয় কী বেগে দৌড়চ্ছে। তবে চেস্ট স্ট্র্যাপ ট্রান্সমিটারের মতো বিস্তারিত তথ্য এতে পাওয়া যায় না। আরও আধুনিক ব্যবস্থায় সেন্সর দেওয়া থাকছে কাপড়ের বুননে। স্পোর্টস ব্রা-র মতো পরলেই চলে।

২। পেডোমিটার: এই যন্ত্রের সাহায্যে সারা দিনে কতটা হাঁটলে তার হিসাব পাওয়া যায়। কতবার পা ফেললেন তার হিসাবটাই মূলত ওঠে। এর সঙ্গে প্রতি পদক্ষেপের দূরত্ব গুণ করে কতটা দূরত্ব অতিক্রম করা গেল তার হিসাব হয়। আধুনিক পেডোমিটারে হাঁটার পাশাপাশি কতবার নুয়েছেন, বেঁকেছেন তার হিসাবও দেয়।

Advertisement

৩। জিপিএস ট্র্যাকার: এই যন্ত্রের সাহায্যে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে কত অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ থেকে কততে গেলে মেপে মোট কত দূরত্ব তার হিসাব পাওয়া যায়। যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই, সেখানেও কাজ করে।

৪। স্মার্টফোন: ব্যাপারটা ছোটর মধ্যে সারতে চাইলে স্মার্টফোন কিনে নিতে পারেন। কিছু অ্যাপ ডাউনলোড করে নিলেই কতটা হাঁটলেন, কত কিলো ক্যালোরি ঝরালেন সব জানতে পারবেন। আসলে স্মার্টফোন মানেই তাতে জিপিএস ট্র্যাকার রয়েছে। যেটা করতে হবে, হাঁটা, দৌড়নো বা সাইকেল চালানোর সময় একটা আর্মব্যান্ডের সাহায্যে স্মার্টফোনটা হাতে আটকে নেবেন। আর্মব্যান্ডের দাম ৩০০ টাকা থেকে শুরু। অ্যাপ ডাউনলোডেও খরচ নেই। যে অ্যাপগুলো কাজে লাগবে, সেগুলি হল স্ত্রাভা, এন্ডোমোন্ডো, ডেইলিমাইল, পেডোমিটার ইত্যাদি ।

সাধারণ স্মার্টফোনে হার্ট রেট জানতে পারবেন না। এর জন্য সেন্সর লাগে। সাঁতার কাটার সময়ও স্মার্টফোন পরা যাবে না। জলের তলার বিশেষ ব্র্যান্ডের অ্যাক্টিভিটি ট্র্যাকার লাগে। এ সব অ্যাপে দরকার থ্রি জি নেটওয়ার্ক।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement