কালীপুজোই হোক বা দেওয়ালি— বাজি ফাটানোর চল রয়েছে গোটা দেশে। আর সেখানেই লুকিয়ে থাকে বিপদ। বাজি ফাটানোর সময় জলের থেকে দূরে থাকুন। বড়, লম্বা সিন্থেটিক পোশাক এড়িয়ে চলুন। পরুন সুতির পোশাক।
কোনও কারণে জামা-কাপড়ে আগুন লাগলে জল না দিয়ে বড় কম্বল জাতীয় জিনিস দিয়ে গায়ে জড়িয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করুন। হাতের কাছেই ফার্স্ট এড বক্স রেডি রাখুন।
ভাল দোকান থেকে বাজি কিনুন। সঠিক মানের বাজি না হলে বিপদের সম্ভাবনা বাড়ে। বাড়ির বাইরে খোলা জায়গায় বা উঠোনে বাজি পোড়ান। ঘরের ভিতরে বা ঘেরা বারান্দায় নয়।
বাজির আগুন থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। কোনও কারণে আগুনের ফুলকি হাতে-পায়ে লাগলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পুড়ে যাওয়া জায়গা জলে ডুবিয়ে রাখুন। বেশি পুড়ে গেলে অবশ্যই কাছাকাছি চিকিৎসা কেন্দ্রে যেতে হবে।
অনেকেই ত্বকের বিভিন্ন অ্যালার্জিতে কষ্ট পান। সেক্ষেত্রে বাজি জ্বালানোর আগে শরীরের খোলা অংশে নারকেল তেল মেখে নিলে বাজির ধোঁয়া সরাসরি ত্বকে লাগবে না।
উৎসবের দিনগুলিতে খাওয়ার দিকেও একটু নজর দিন। শরীর সুস্থ ও তরতাজা থাকলে উৎসবের দিনগুলি আরও আনন্দমুখর হয়ে উঠবে। দেওয়ালিতে অনেকেই রাত জেগে পার্টি করে থাকেন। তার জন্য খালি পেটে কখনওই অ্যালকোহল খাবেন না। এতে শরীরে ফ্যাট তৈরি হয়। আগে অবশ্যই ভারী খাবার খেয়ে নেবেন।
প্রচুর পরিমাণে জল খান। শরীর ঠিক রাখতে জলের বিকল্প কিছু হতে পারে না। প্রতিদিন নিয়ম করে যদি ১০ থেকে ১২ গ্লাস জল খান, তা হলে আপনার শরীরের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকও ভাল থাকবে। ভাজা এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলাই ভাল।
অনেকের বাড়িতেই দেওয়ালি উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান থাকে। সারাদিন ধরেই চলে চরম ব্যস্ততা। অতিথিদের দেখভাল করতে গিয়ে বেশি ক্ষণ খালি পেটে থাকবেন না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, ওয়ার্কআউট স্কিপ করবেন না। নিয়ম করে প্রতিদিন শরীরচর্চা করুন। শরীর ফিট থাকবে।