China in Greenland

বরফের সাগরে ‘হায়নার’ আনাগোনা! সত্যিই কি গ্রিনল্যান্ডকে ‘বাঁচাতে’ চাইছে আমেরিকা? কেন সঠিক হতে পারে ট্রাম্পের যুক্তি?

গ্রিনল্যান্ড কব্জা করার নেপথ্যে প্রথম থেকেই রাশিয়া ও চিনা আগ্রাসনের দোহাই দিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর যুক্তি কিন্তু একেবারে উড়িয়ে দেওয়ার নয়। কেন এ কথা বলছেন বিশ্লেষকদের একাংশ?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৩১
Share:
০১ ১৮

ডেনমার্কের মালিকানায় থাকা গ্রিনল্যান্ড কব্জা করতে চেয়ে নেটোভুক্ত ইউরোপীয় ‘বন্ধু’দের উপর চাপ বাড়াচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সুমেরু সাগর সংলগ্ন বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপটিকে কেন দখলে করতে চাইছে আমেরিকা? চলতি বছরের জানুয়ারির গোড়া থেকেই ওঠা এই প্রশ্নে বার বার একটি যুক্তিই খাড়া করেছেন ‘পোটাস’ (প্রেসিডেন্ট অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস)। তাঁর দাবি, আগামী দিনে ‘সবুজ দ্বীপ’ অধিকার করবে রাশিয়া ও চিন, যা ভেঙে দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের যাবতীয় নিরাপত্তা বলয়। আর তাই কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নন তিনি।

০২ ১৮

দুনিয়ার তাবড় প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের বড় অংশই গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের এই যুক্তি মানতে নারাজ। তাঁদের দাবি, ‘সবুজ দ্বীপে’ রুশ-চিনের সম্ভাব্য আগ্রাসন রুখতে সেখানে উপস্থিত নেটোর সামরিক ঘাঁটিকে মজবুত করার মতো বিকল্প রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে। তার জন্য আমেরিকার মানচিত্র বদলানোর কোনও প্রয়োজন নেই। তবে এটা ঠিক যে, গত কয়েক বছরে সুমেরু সাগর সংলগ্ন ওই এলাকায় নিজের উপস্থিতি কয়েক গুণ বৃদ্ধি করেছে বেজিং। সে দিক থেকে ‘পোটাসের’ উদ্বেগকে অন্যায্য ভাবার কোনও কারণ নেই বলে মনে করেন তাঁর গুণমুগ্ধ ভক্তেরা।

Advertisement
০৩ ১৮

বিশ্লেষকদের দাবি, ‘সবুজ দ্বীপের’ উপর ট্রাম্পের শ্যেন দৃষ্টি পড়ার নেপথ্যে অন্যতম বড় কারণ হল সেখানকার বিরল খনিজের ভান্ডার। গবেষকদের অনুমান, বরফের চাদরে ঢাকা গ্রিনল্যান্ডে লুকিয়ে আছে ১৫ লক্ষ টন ‘রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস’ বা আরইই। ইতিমধ্যেই তাতে থাবা বসাতে চুপিসারে সেখানে ঢুকে পড়েছে চিন। শুধু তা-ই নয়, আরইই উত্তোলনকারী খনি সংস্থাগুলিতে বিপুল লগ্নি রয়েছে বেজিঙের। ফলে বিরল খনিজ উঠলে তার মোটা ভাগ যে মান্দারিনভাষীদের পকেটে যাবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এগুলিই ট্রাম্পের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

০৪ ১৮

গত শতাব্দীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের (বর্তমান রাশিয়া) মধ্যে ‘ঠান্ডা যুদ্ধ’ (কোল্ড ওয়ার) চলাকালীন গ্রিনল্যান্ডে শুরু হয় ‘রেয়ার আর্থ এলিমেন্টের’ খোঁজ। এ ব্যাপারে আমেরিকার পূর্ণ সহযোগিতা পেয়েছিল ডেনমার্ক। ৫০-এর দশকে সেখানে তেজস্ক্রিয় পদার্থ তথা পরমাণু বোমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ইউরেনিয়ামের সন্ধান মেলে। তবে কোপেনহেগেন আণবিক শক্তি ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলে ‘সবুজ দ্বীপের’ খনি থেকে তা উত্তোলন করা হয়নি। ২০১০ সালে পৌঁছে সেই পুরনো নীতি পুরোপুরি বদলে ফেলে ড্যানিশ সরকার।

০৫ ১৮

২১ শতকের প্রথমার্ধে ‘সবুজ দ্বীপে’ ইউরেনিয়াম ছাড়াও একগুচ্ছ বিরল খনিজের সন্ধান পায় কোপেনহেগেন। তত দিনে আরইই-র গুরুত্ব হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে ইউরোপ, আমেরিকা-সহ গোটা বিশ্ব। বুঝেছে, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ গবেষণা থেকে শুরু করে বৈদ্যুতিন গাড়ি হোক বা সরঞ্জাম— নিত্য দিনের ব্যবহার্য প্রায় প্রতিটা পণ্য তৈরিতে একান্ত ভাবে প্রয়োজন বিরল খনিজ। ফলে ২০১৫ সালে ‘রেয়ার আর্থ এলিমেন্ট’ উত্তোলনের জন্য দরপত্র চেয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে ড্যানিশ প্রশাসন। এতে বরাত পায় গ্রিনল্যান্ড মিনারেলস নামের একটি অস্ট্রেলীয় সংস্থা।

০৬ ১৮

২০১৫ সালের বিরল খনিজ উত্তোলনের জন্য কোয়ানেফজেল্ড প্রকল্পে সবুজ সঙ্কেত দেয় ডেনমার্ক স্বীকৃত স্বায়ত্তশাসনাধীনে থাকা গ্রিনল্যান্ডের সরকার। ফলে ‘সবুজ দ্বীপের’ দক্ষিণ অংশের নারসাক শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে শুরু হয় খোঁড়াখুঁড়ি। পরবর্তী বছরগুলিতে সেখান থেকে উঠে আসে নিওডিমিয়াম ও প্রাসেওডিয়ামের মতো কৃত্রিম চুম্বক তৈরির বিরল ধাতু। এ ছাড়া তেজস্ক্রিয় ইউরেনিয়ামও সেখানে থেকে তুলতে সক্ষম হয় বরাতপ্রাপ্ত অসি সংস্থা। যদিও এর জেরে তাদের বিপদ বেড়েছিল।

০৭ ১৮

ইউরেনিয়াম উত্তোলনের জেরে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির মুখে পড়ে ‘সবুজ দ্বীপ’। ফলে ২০২১ সালে খনির কাজ স্থগিত করে স্থানীয় প্রশাসন। শুধু তা-ই নয়, ২০২২ সালে বাতিল হয় গ্রিনল্যান্ড মিনারেলসের লাইসেন্স। কোপেনহেগেনের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেনি সংশ্লিষ্ট অসি সংস্থা। প্রতিবাদ জানিয়ে ড্যানিশ আদালতে মামলা করে তারা। এ-হেন গ্রিনল্যান্ড মিনারেলসের ‘কৌশলগত অংশীদার’ হল চিনের শেংহে রিসোর্সেস। তাদের কাছেই ‘ক্যাঙারু দেশের’ কোম্পানির সর্বাধিক স্টক রয়েছে।

০৮ ১৮

খনি থেকে উত্তোলনের পর আরইইকে পরিশোধন করতে হয়। বর্তমানে এর ৬০ শতাংশের বেশি নিয়ন্ত্রণ করছে চিন। সেই কারণেই ২০১৮ সালে শেংহে রিসোর্সেসের সঙ্গে চুক্তি করে অসি সংস্থা গ্রিনল্যান্ড মিনারেলস। ‘সবুজ দ্বীপে’ উত্তোলিত বিরল খনিজ পরিশোধনের জন্য বেজিঙের সংস্থাটির উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল তারা। এর জেরে পিছনের দরজা দিয়ে সুমেরু সাগর এলাকায় পা জমানোর সুবিধা পেয়ে গিয়েছে ড্রাগন। এমনটাই দাবি, মার্কিন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক আটলান্টিক কাউন্সিলের।

০৯ ১৮

এ ব্যাপারে আরও একটি উদাহরণ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ওই গবেষণা সংস্থা। তাদের দাবি, ২০১৮ সালে নতুন ‘সুমেরু নীতি’ চালু করেন ড্রাগনভূমির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, যা ‘পোলার সিঙ্ক রোড’ নামেও পরিচিত। পরবর্তী বছরগুলিতে বরফে ঢাকা ওই সামুদ্রিক এলাকায় আনাগোনা বৃদ্ধি করে বেজিঙের ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’ বা পিএলএ নৌবাহিনী। এর মাধ্যমে আগামী দিনে সুমেরুর বেশ কিছু এলাকা বেজিং নিজেদের বলে দাবি করতে পারে বলে মনে করেন আটলান্টিক কাউন্সিলের কর্তাব্যক্তিরা।

১০ ১৮

বরফাবৃত সুমেরু সাগরের বিস্তীর্ণ এলাকা রাশিয়ার বিশেষ আর্থিক এলাকা বা ইইজ়েড (এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জ়োন) হিসাবে স্বীকৃত। আর তাই সেখানে পণ্যবাহী জাহাজ নিয়ে যেতে গেলে মস্কোর অনুমতি প্রয়োজন। এ-হেন সুমেরু সাগরে বিকল্প সামুদ্রিক রাস্তা খুঁজে পেতে ২০২৪ সালে ক্রেমলিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করে বেজিং। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে ধীরে ধীরে গলছে সেখানকার বরফ। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওই এলাকায় যাতায়াতের নতুন রাস্তা আবিষ্কার করে ফেলেছে ড্রাগন।

১১ ১৮

গত বছরের অক্টোবরে চিনা পণ্যবাহী জাহাজের সুমেরু সাগর পেরিয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই দুনিয়া জুড়ে পড়ে যায় শোরগোল। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, মাত্র ছ’দিনে ওই জলযানটি সংশ্লিষ্ট রাস্তা পার করতে পেরেছে বলে জানায় বেজিং। নতুন পথের পোশাকি নাম ‘উত্তর সামুদ্রিক রাস্তা’ বা নর্দার্ন সি রুট। বিশ্ব উষ্ণায়নে সুমেরুর বরফ গলার কারণেই এর সন্ধান পেয়েছেন ড্রাগনভূমির নাবিকেরা। ইউরোপ পৌঁছোনোর এই বিকল্প রাস্তা আগামী দিনে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ‘খেলা ঘোরাবে’ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।

১২ ১৮

চিন আবিষ্কৃত নতুন এই উত্তর সামুদ্রিক পথের সূচনাটা হয়েছে বেরিং প্রণালীতে। রাশিয়া ও আমেরিকার আলাস্কার মাঝে সরু এই সামুদ্রিক রাস্তাটির সঙ্কীর্ণতম অংশটি চওড়ায় মাত্র ৮৫ কিলোমিটার। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের দাবি, বেজিঙের পণ্যবাহী জাহাজ ওই এলাকায় অহরহ চলাচল করলে দ্বিমুখী সমস্যার মুখে পড়বে যুক্তরাষ্ট্র। এতে এক দিকে যেমন আলাস্কার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে, অন্য দিকে তেমনই সুমেরু সাগর দিয়ে গ্রিনল্যান্ড পৌঁছোনোর পথ পাবে বেজিং ও মস্কো। ওয়াশিংটনের জন্য সেটা যে চরম হুমকির, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

১৩ ১৮

‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজ়িক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ়’ আবার জানিয়েছে, গত কয়েক দশক ধরে বিমানবন্দর, পরিত্যক্ত নৌঘাঁটি এবং কৃত্রিম উপগ্রহের গ্রাউন্ড স্টেশনের মতো পরিকাঠামোগত প্রকল্প তৈরির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডে পা জমানোর মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে চিন। সেই লক্ষ্যে ড্যানিশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে চলছে বেজিং। যদিও আমেরিকার আপত্তির জন্যেই নিজেদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারছে না ড্রাগন।

১৪ ১৮

সাবেক সেনাকর্তাদের কথায়, কৌশলগত গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও ‘পোলার সিল্ক রোড’ এখনও তৈরি করতে পারেনি চিন। যদিও বিরল খনিজের প্রক্রিয়াকরণ সংস্থার ‘ছদ্মবেশে’ সেখানে ঢোকার সুযোগ পেয়েছে বেজিং। এটাকে কাজে লাগিয়ে আগামী দিনে ‘সবুজ দ্বীপে’ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করবে ড্রাগন। সূত্রের খবর, প্রাথমিক পর্যায়ে বন্দর, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং লজ়িস্টিক করিডরে লগ্নির পরিকল্পনা রয়েছে মান্দারিনভাষীদের। আগামী দিনে এই সমস্ত বিনিয়োগই সেখানকার রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে যেতে সাহায্য করবে তাদের।

১৫ ১৮

সম্প্রতি গ্রিনল্যান্ডে বিরাট এক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ঘোষণা করেন ট্রাম্প। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পটির নাম ‘দ্য গোল্ডেন ডোম’ বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। ‘পোটাস’-এর দাবি, এতে শুধুমাত্র আমেরিকার লাভ হবে এমনটা নয়। বরং ওই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কানাডাকেও সুরক্ষা দেবে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে ‘সবুজ দ্বীপ’ অধিগ্রহণ একান্ত ভাবে প্রয়োজন বলে যুক্তি দিয়েছেন তিনি।

১৬ ১৮

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্কি কার্নি অবশ্য আমেরিকার এই আগ্রাসনের বিরোধিতা করেছেন। গণমাধ্যমের সামনে তিনি বলেন, ‘‘গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন দখলদারি অনুচিত।’’ এর পর নিজের সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ পাল্টা মুখ খোলেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি লেখেন, ‘‘অটোয়া দ্য গোল্ডন ডোমের বিরোধিতা করছে। কিন্তু এটা ওদেরই সুরক্ষা দেবে। এর জন্য ওয়াশিংটনের হাতে কর্তৃত্ব থাকা উচিত।’’

১৭ ১৮

সম্প্রতি চিনসফর করেন কার্নি। বেজিঙের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে, যা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করে বিবৃতি দেন ট্রাম্প। বলেন, ‘‘বেজিঙের সঙ্গে বাণিজ্য করার পক্ষে ভোট দিয়েছে অটোয়া। কত বড় ভুল যে করল, সেটা নিজেরাই জানে না। কারণ, ড্রাগন এক বছরের মধ্যেই ওদের খেয়ে ফেলবে।’’ এ ভাবে উত্তর আমেরিকার দেশগুলিতে চিনা প্রভাব বৃদ্ধির জেরেই কি গ্রিনল্যান্ড পেতে নাছোড়বান্দা হয়ে উঠেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? উঠছে প্রশ্ন।

১৮ ১৮

গত বছরের মে মাসে সুমেরু সাগর এলাকার খনি খাতে লগ্নিবৃদ্ধিতে আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলিকে আহ্বান জানান গ্রিনল্যান্ডের ব্যবসা ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী নাজ়া নাথানিয়েলসেন। ওই সময় এ ব্যাপারে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ থেকে পুঁজি না পেলে চিন বা অন্যান্য উৎস থেকে বিনিয়োগ সংগ্রহ করে নেবে ‘সবুজ দ্বীপ’। সেটা ওই এলাকার ভূ-রাজনীতিকে জটিল করে তুলতে পারে।

সব ছবি: সংগৃহীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও গ্যালারি
Advertisement