France Pull Back Gold From US

স্ত্রীর নাম করে মাক্রোঁর মান-সম্মানে টানাটানি! ট্রাম্পকে ‘শিক্ষা’ দিতে মার্কিন ভল্ট থেকে সব সোনা তুলে নিল ফ্রান্স?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক ফেডারেল রিজ়ার্ভে এত দিন বিপুল পরিমাণে সোনা গচ্ছিত রেখেছিল ফ্রান্স। এর পুরোটাই গত এক বছরের কম সময়ে দেশে ফিরিয়েছে প্যারিস। কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৫৪
Share:
০১ ২০

আর আমেরিকার ভল্টে সোনা রাখা নয়। পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিজেদের হলুদ ধাতু এ বার ধীরে ধীরে ঘরে ফেরাচ্ছে ফ্রান্স। ইরান যুদ্ধ থেকে শুরু করে গ্রিনল্যান্ড ইস্যু, গত কয়েক মাস ধরে মার্কিন প্রেসি়ডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ। পাল্টা স্ত্রীর প্রসঙ্গ তুলে তাঁকে নিয়ে ‘কুমন্তব্য’ করতে ছাড়েননি ‘পোটাস’ (প্রেসিডেন্ট অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস)। সম্পর্কের এ-হেন টানাপড়েনের জেরেই কি ওয়াশিংটন থেকে স্বর্ণ প্রত্যাহার? প্যারিসের পদক্ষেপে উঠছে প্রশ্ন।

০২ ২০

পশ্চিমি গণমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক বছরের কম সময় যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক ফেডারেল রিজ়ার্ভের ভল্ট থেকে সোনা প্যারিসের ‘ব্যাঙ্ক দে ফ্রান্সে’ নিয়ে গিয়েছে মাক্রোঁ প্রশাসন। সেটা আবার ইউরোপীয় দেশটির মুখ্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিচিত। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার মুখে কিছু হলুদ ধাতু বিক্রিও করেছে ফ্রান্স। সেখান থেকে রোজগার হওয়া টাকায় আবার উন্নত মানের সোনা কিনতে দেখা গিয়েছে ইমানুয়েল সরকারকে।

Advertisement
০৩ ২০

পশ্চিমি গণমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক বছরের কম সময় যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক ফেডারেল রিজ়ার্ভের ভল্ট থেকে সোনা প্যারিসের ‘ব্যাঙ্ক দে ফ্রান্সে’ নিয়ে গিয়েছে মাক্রোঁ প্রশাসন। সেটা আবার ইউরোপীয় দেশটির মুখ্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিচিত। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার মুখে কিছু হলুদ ধাতু বিক্রিও করেছে ফ্রান্স। সেখান থেকে রোজগার হওয়া টাকায় আবার উন্নত মানের সোনা কিনতে দেখা গিয়েছে ইমানুয়েল সরকারকে।

০৪ ২০

প্যারিসের সংবাদসংস্থাগুলি জানিয়েছে, ফেডারেল রিজ়ার্ভের ভল্ট থেকে বার করার পর পুরনো সোনার বারগুলি রেকর্ড উচ্চমূল্যে খোলা বাজারে বিক্রি করে ‘ব্যাঙ্ক দে ফ্রান্স’। পরে সেই টাকা দিয়ে ইউরোপ থেকে সমপরিমাণ এবং উন্নত মানের হলুদ ধাতু কেনে তারা। সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াটিতে প্রায় ১,৪৭৬ কোটি ডলারের মূলধনী লাভ হয়েছে তাদের। এর জেরে উল্লেখ্যযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে প্যারিসের ‘ব্যাঙ্ক দে ফ্রান্সের’ মুনাফার অঙ্ক।

০৫ ২০

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-’৪৫) পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভল্টে সোনা রাখা শুরু করে ফ্রান্স। এর নেপথ্যে ছিল ব্রেটন উডস সম্মেলন। ১৯৪৪ সালে আমেরিকার নিউ হ্যাম্পশায়ারে মাউন্ট ওয়াশিংটন হোটেলে আলোচনায় বসেন মিত্র শক্তির ৪৪টি দেশের ৭৩০ জন প্রতিনিধি। কারণ, তত দিনে জার্মানির পতন প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গে টানা পাঁচ বছর লড়াইয়ের জেরে প্রায় ধ্বংসের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে গোটা ইউরোপের অর্থনীতি।

০৬ ২০

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-’৪৫) পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভল্টে সোনা রাখা শুরু করে ফ্রান্স। এর নেপথ্যে ছিল ব্রেটন উডস সম্মেলন। ১৯৪৪ সালে আমেরিকার নিউ হ্যাম্পশায়ারে মাউন্ট ওয়াশিংটন হোটেলে আলোচনায় বসেন মিত্র শক্তির ৪৪টি দেশের ৭৩০ জন প্রতিনিধি। কারণ, তত দিনে জার্মানির পতন প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গে টানা পাঁচ বছর লড়াইয়ের জেরে প্রায় ধ্বংসের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে গোটা ইউরোপের অর্থনীতি।

০৭ ২০

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন গোটা ফ্রান্স ছিল জার্মানির দখলে। কিন্তু লড়াইয়ে বার্লিনের পতন হতেই ফের পুরনো গৌরব ফিরে পায় প্যারিস। এই সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হন কিংবদন্তি সেনা অফিসার শার্ল আঁদ্রে জোসেফ মারি দ্য গল। জার্মান নাৎজ়ি বাহিনীর হাত থেকে মাতৃভূমিকে দখলমুক্ত করতে ফরাসি বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। ব্রেটন উড্‌স সম্মেলনের সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও এ ব্যবস্থা আদৌ ফলপ্রসূ হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ ছিল তাঁর।

০৮ ২০

অন্য দিকে বিশ্বযুদ্ধ থামতেই সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ঠান্ডা লড়াইয়ে (কোল্ড ওয়ার) জড়িয়ে পড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এতে কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন গল। তাঁর অভিযোগ ছিল, প্রয়োজনের অতিরিক্ত খরচ করছে আমেরিকা। গত শতাব্দীর ৬০-এর দশক আসতে আসতে এ ব্যাপারে একটা বদ্ধমূল ধারণা মনে চেপে বসে তাঁর। প্রাক্তন ফরাসি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য ছিল, এতে ধ্বংসের পথে যাবে ডলার। সেই সঙ্গে ডুববে ইউরোপের অর্থনীতিও।

০৯ ২০

ফলে ১৯৬৩ সালে অত্যন্ত গোপনে মার্কিন ভল্ট থেকে সোনা নিজেদের দেশে ফেরানো শুরু করে ফ্রান্স। প্রেসিডেন্ট গল এই অভিযানের সাঙ্কেতিক নাম দেন ‘ভিদ-গুসে’। ফরাসি ভাষায় এর অর্থ হল পকেট খালি করা। পরবর্তী তিন বছর এই প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত ছিল প্যারিস। যদিও ইউরোপের অন্যান্য রাষ্ট্র এই পদক্ষেপ করেনি। উল্টে ভরসাযোগ্য এবং বন্ধু রাষ্ট্র হিসাবে তাঁদের পূর্ণ আস্থা ছিল আমেরিকার উপর।

১০ ২০

গলের আমলে বিমান এবং জাহাজ ভর্তি করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিপুল পরিমাণে সোনা ঘরের মাটিতে ফেরায় ফ্রান্স। তাঁদের কিছু হলুদ ধাতু আবার জমা ছিল লন্ডনের ব্যাঙ্কে। সেগুলিকেও প্যারিসে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করেন তিনি। সব মিলিয়ে এর পরিমাণ ছিল প্রায় তিন হাজার টন। ১৯৬৯ সালে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে যান এই কিংবদন্তি ফরাসি সেনা অফিসার। তার পর অবশ্য আর ফেডারেল রিজ়ার্ভে থাকা সোনা ঘরে ফেরানোর তাগিদ অনুভব করেনি ‘নেপোলিয়নের দেশ’।

১১ ২০

১৯৭১ সালের ১৫ অগস্ট হঠাৎ করেই সোনার সঙ্গে ডলারের যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট তথা রিপাবলিকান নেতা রিচার্ড নিক্সন। ফলে রাতারাতি ভেঙে পড়ে ব্রেটন উড্‌স ব্যবস্থা। শুধু তা-ই নয়, বিশ্ব জুড়ে বন্ধ হয় হলুদ ধাতুর বিনিময়ে ডলারের লেনদেন। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে মারাত্মক দামি হয়ে ওঠে সোনা। ইতিহাসে এই ঘটনা ‘নিক্সন শক’ নামে পরিচিত।

১২ ২০

ব্রেটন উড্‌স সম্মেলন সোনার দামকে ৩৫ ডলারে বেঁধে রেখেছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সন তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেন। ফলে ১৯৮০ সাল আসতে আসতে এক ট্রয় আউন্স হলুদ ধাতুর দর বেড়ে দাঁড়ায় ৮০০ ডলার। এ-হেন নাটকীয় উল্লম্ফন যে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রার অবমূল্যায়নকে চিহ্নিত করে, তা বলাই বাহুল্য। ফলে নতুন চাল দেয় ওয়াশিংটন। ১৯৭৪ সালে সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি করে আমেরিকা। ঠিক হয় খনিজ তেল এ বার থেকে শুধু ডলারেই বিক্রি করবে রিয়াধ।

১৩ ২০

ব্রেটন উড‌সে যে মার্কিন মুদ্রাকে সোনার সঙ্গে বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, নিক্সন তাকেই পরিণত করেন পেট্রো-ডলারে। এতে বিশ্বের সংরক্ষিত মুদ্রার অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয় আমেরিকা। এখনও পর্যন্ত অবশ্য দুনিয়া জুড়ে এই ব্যবস্থা চালু রয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের প্রতিটি দেশের মুদ্রা একে অপরের বিপরীতে অবাধে ওঠানামা করে থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলি ডলারের বিনিময়ে আর সোনা দাবি করে না। যদিও তাদের মধ্যে স্বর্ণভান্ডার বৃদ্ধির প্রবণতা রয়েছে।

১৪ ২০

কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির হলুদ ধাতু কেনার নেপথ্যে একাধিক যুক্তি রয়েছে। সোনা ঘরোয়া মুদ্রাস্ফীতি এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার ক্ষেত্রে অনেকটাই সুরক্ষা দিয়ে থাকে। ফলে আগামী দিনে ফ্রান্সের রাস্তায় জার্মানি হাঁটতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে আমেরিকার সঙ্গে বার্লিনের অটুট বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে বললে অত্যুক্তি হবে না। ফলে দেশের স্বর্ণভান্ডারের বড় অংশ নিউ ইয়র্কের ভল্টে রাখতে দেরি করেনি তারা।

১৫ ২০

রাষ্ট্রীয় স্বর্ণভান্ডারের নিরিখে বর্তমানে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে আছে জার্মানি। গত বছরের (পড়ুন ২০২৫ সাল) সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বার্লিনের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের হাতে রয়েছে ৩,৩৫২ টন সোনা। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, সংশ্লিষ্ট স্বর্ণভান্ডারের প্রায় এক তৃতীয়াংশ নিউ ইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনে আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক ফেডারেল রিজ়ার্ভের ভল্টে রেখেছে জার্মানি। এই তালিকায় দীর্ঘ দিন ধরেই অবশ্য প্রথম স্থানটি ধরে রেখেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের মজুত সোনার পরিমাণ প্রায় ৮,১৩৩ টন।

১৬ ২০

জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের নাম ‘ডয়েচ বুন্দেসবাঙ্ক’। সম্প্রতি আমেরিকা থেকে সোনা ফেরত আনার বিষয়ে গণমাধ্যমে মুখ খুলেছেন এই প্রতিষ্ঠানটির সাবেক গবেষণা-প্রধান (হেড অফ রিসার্চ) এমানুয়েল মোয়েন্‌শ। ‘হানডেল্‌সব্লাট’ নামের একটি সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘‘দেশের বৃহত্তম কৌশলগত স্বাধীনতার স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের ভল্টে মজুত থাকা হলুদ ধাতু অবিলম্বে ফিরিয়ে আনা উচিত। কারণ, ওয়াশিংটন আর আগের মতো মিত্রতার জায়গায় নেই। তাদের শরীরী ভাষা বদলে গিয়েছে।’’

১৭ ২০

জার্মানির আবার ২৭টি দেশের সংগঠন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্যপদ রয়েছে। বার্লিনের সোনার ব্যাপারে বিবৃতি দিয়েছেন এর করদাতা সমিতির প্রধান মাইকেল জ়েগার। তাঁর কথায়, ‘‘ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইইউ-ভুক্ত দেশগুলির সম্পর্কের ক্রমাবনতি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভল্টে সোনা রাখা জার্মানির জন্য একেবারেই নিরাপদ নয়। অবিলম্বে সেখান থেকে হলুদ ধাতু সরিয়ে আনা উচিত।’’

১৮ ২০

গত শতাব্দীতে বৈদেশিক মুদ্রাভান্ডারে তীব্র সঙ্কট দেখা দিলে প্রায় ৪৭ টন সোনা ব্যাঙ্ক অফ ইংল্যান্ডে গচ্ছিত রাখতে বাধ্য হয় ভারত। ১৯৯০-’৯১ সালের মধ্যে ওই হলুদ ধাতু সেখানে পাঠায় রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই)। এর পরই পরিস্থিতি বদলাতে আর্থিক উদারীকরণ নিয়ে আসেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী তথা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ। এর উপর ভিত্তি করে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ায় নয়াদিল্লি।

১৯ ২০

২০২৩ সালের মার্চে ব্যাঙ্ক অফ ইংল্যান্ড থেকে সোনা দেশে ফেরানো শুরু করে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। বিশেষ বিমানে অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে নিয়ে আসা হয় ওই হলুদ ধাতু। এর পরিমাণে ২৭৪ টনের বেশি বলে জানা গিয়েছে। বর্তমানে ভারতের মোট স্বর্ণভান্ডারের পরিমাণ ৮৮০.৮ টন। এর দুই-তৃতীয়াংশই রয়েছে দেশে। বাকি অংশ বিদেশে তত্ত্বাবধানমূলক ব্যবস্থার অধীনে রাখা হয়েছে।

২০ ২০

যুক্তরাষ্ট্র থেকে সোনা ফেরানোর পর একটি বিবৃতিতে ‘ব্যাঙ্ক দে ফ্রান্স’ জানিয়েছে, মার্কিন নীতি, ডলারের স্থিতিশীলতা বা কোনও রাজনৈতিক কারণে এই পদক্ষেপ করা হয়নি। যদিও প্যারিসের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের এই মন্তব্য মানতে নারাজ বিশ্লেষকদের একাংশ। ফলে ট্রাম্প জমানায় জার্মানি একাই রাস্তায় হাঁটে কি না, সেটাই এখন দেখার।

ছবি: সংগৃহীত ও এআই সহায়তায় প্রণীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও গ্যালারি
Advertisement