অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি দল। ছবি: সমাজমাধ্যম।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ইতিমধ্যেই বিদায় নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। শুক্রবার ওমানের বিরুদ্ধে নিয়মরক্ষার ম্যাচে নামছে তারা। বিদায়ের পরেই সে দেশের বোর্ড জানিয়ে দিল, ক্রিকেটারেরা দেশে ফিরলে ‘ফরেনসিক পর্যালোচনা’ করা হবে।
২০২১-এর ট্রফি জয়ী দল হেরেছে শ্রীলঙ্কা এবং জ়িম্বাবোয়ের কাছে। শেষ ম্যাচে ওমানকে হারালেও কোনও লাভ নেই। নির্বাচক টনি ডোডমেড পরিষ্কার করে দিয়েছেন, ক্রিকেটারেরা দেশে ফিরলে সকলের পারফরম্যান্স খতিয়ে দেখে পর্যালোচনা করা হবে।
ডোডমেডের কথায়, “বিশ্বকাপ যা গিয়েছে তাতে আমরা খুবই হতাশ। তবে কিছুটা সময় দরকার। সকলের থেকে সময় চেয়ে নিচ্ছি। আমাদের শেষ ম্যাচটা হওয়া দরকার। আশা করি ওমানের বিরুদ্ধে আমরা ভালই খেলব। তার পর সকলে ফিরে এলে নিবিড় ভাবে পর্যালোচনা করা হবে।”
চোটের কারণে জশ হেজ়লউড, প্যাট কামিন্সের মতো ক্রিকেটারকে পায়নি অস্ট্রেলিয়া। মিচেল স্টার্ক আগেই অবসর নিয়েছেন। দু’টি ম্যাচে খেলতে পারেননি মিচেল মার্শও। বাকিরাও অনেকে চোট-আঘাতে ভুগেছেন। তবে এ সব বিষয় পাত্তা দিতে চাইছে না অস্ট্রেলিয়া বোর্ড।
দু’বছর পর সে দেশেই হবে বিশ্বকাপ। সে প্রসঙ্গে ডোডমেড বলেছেন, “আমরা সব বিশ্বকাপেই জিততে চাই। সেটা যেখানেই হোক না কেন। পরেরটা নিজেদের দেশেই। সেখানেও দুর্দান্ত কিছু করতে হবে। ২০২৮-এর কথা মাথায় রেখে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা করা হবে। তার আগে ২০২৭ বিশ্বকাপও রয়েছে। সময় এবং সুযোগ পেলে সব কিছুরই পরিকল্পনা করা হবে। আবেগ দূরে সরিয়ে রেখে একটু ফরেনসিকের মতো বিষয়টা দেখা উচিত।”