শাহরুখ খান। —ফাইল চিত্র।
টানা তিনটি ম্যাচ জিতে আবার আইপিএলের আলোচনায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। রাস্তা কঠিন হলেও প্লেঅফে ওঠার সুযোগ রয়েছে তিন বারের চ্যাম্পিয়নদের সামনে। অজিঙ্ক রাহানেরা বাকি সব ম্যাচ জিতলেই চলে যেতে পারেন প্লেঅফে। পরিস্থিতি এখনও তাঁদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয়।
ন’টি ম্যাচ খেলে তিনটি জিতেছে কেকেআর। একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গিয়েছে। ৭ পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় অষ্টম স্থানে রয়েছেন রাহানেরা। প্লেঅফ খেলতে হলে প্রথম চার দলের মধ্যে থাকতে হবে। কেকেআরের বাকি রয়েছে পাঁচটি ম্যাচ। সবগুলি জিতলে সর্বোচ্চ ১৭ পয়েন্টে পৌঁছোবে কলকাতা। একটি ম্যাচ হারলেও ১৫ পয়েন্ট হবে কেকেআরের।
দিল্লি ক্যাপিটালস এবং চেন্নাই সুপার কিংস ন’টি ম্যাচে ৮ পয়েন্ট করে পেয়েছে। নেট রান রেটে দিল্লির চেয়ে ভাল জায়গায় কেকেআর। ৫ মে এই দু’দল মুখোমুখি হবে। ফলে কোনও একটি দলের পয়েন্ট ৮ থেকে যাবে। আবার শেষ দুই স্থানে থাকা মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং লখনউ সুপার জায়ান্টস ম্যাচ ৪ মে। যে দলই জিতুক কেকেআরকে টপকাতে পারবে না। কারণ দু’দলেরই এখনও পর্যন্ত সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট করে। ফলে আপাতত পয়েন্ট তালিকায় অষ্টম স্থানে নিশ্চিত কেকেআর।
১০ দলের আইপিএল হওয়ার পর একমাত্র রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ২০২৪ সালে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে প্লেঅফে পৌঁছেছিল। এর চেয়ে কম পয়েন্ট নিয়ে কোনও দল শেষ চারে যেতে পারেনি। অঙ্কের হিসাবে তাই ১৫ পয়েন্ট পেলেও সুযোগ থাকতে পারে রাহানেদের। এই মুহূর্তে নয় ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে পঞ্জাব কিংস। নয় ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বেঙ্গালুরু। তৃতীয় থেকে পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, রাজস্থান রয়্যালস এবং গুজরাত টাইটান্স। তিনটি দলেরই ১০টি করে ম্যাচ খেলে ১২ পয়েন্ট। প্রতিটি দলের চারটি করে ম্যাচ বাকি। দু’টি করে ম্যাচ জিতলেই ১৬ পয়েন্টে পৌঁছে যাবে দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম স্থানে থাকা তিনটি দল। তাই এ বার প্লেঅফে যাওয়ার জন্য ১৫ পয়েন্ট যথেষ্ট হবে না। তাই রাহানেদের বাকি পাঁচটি ম্যাচই জিততে হবে। আশার কথা ১০ দলের আইপিএলে ১৬ পয়েন্ট পেয়ে প্লেঅফে উঠতে পারেনি, এমন কখনও হয়নি। অতএব সব ম্যাচ জিতে কেকেআর ১৭ পয়েন্ট পেলে প্লেঅফে জায়গা করে নিতে পারে।
লিগ পর্বে কেকেআরের খেলা বাকি ৮ মে দিল্লি, ১৩ মে বেঙ্গালুরু, ১৬ মে গুজরাত, ২০ মে মুম্বই এবং ২৪ মে দিল্লির সঙ্গে। রাহানেদের সুবিধা, শেষ তিনটি ম্যাচ তাঁরা ঘরের মাঠে খেলার সুযোগ পাবেন। ৮ মে-র ম্যাচ দিল্লিতে এবং ১৩মে-র ম্যাচ হবে রায়পুরে। অর্থাৎ রাহানেদের খুব বেশি সফর করতে হবে না। প্রতিটি ম্যাচই তাঁরা খেলতে পারবেন তরতাজা অবস্থায়। এক বার প্লেঅফে পৌঁছে গেলে চ্যাম্পিয়ন হওয়াও সম্ভব। বলা যায় পরিস্থিতি এখনও রাহানেদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।