চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে দর্শকদের ভিড়। ছবি: বিসিসিআই।
বেশ কিছু দিন ধরেই চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ম্যাচে টিকিটের কালোবাজারির অভিযোগ উঠছিল। এ বার তা প্রকাশ্যে এসেছে। টিকিটের কালোবাজারি করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন বিরাট কোহলিদের ঘরের মাঠ চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের এক ক্যান্টিন কর্মী। নাম জড়িয়েছে কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থার এক সদস্যের। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম চন্দ্রশেখর। তিনি চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের শ্রী লক্ষ্মী ক্যান্টিনে কাজ করেন। বুধবার বেঙ্গালুরু বনাম লখনউ সুপার জায়ান্টস ম্যাচের আগে ১০০টি টিকিট বেশি দামে বিক্রি করার চেষ্টা করছিলেন তিনি। টিকিটগুলির প্রকৃত দাম ১৫ থেকে ১৯ হাজার টাকার মধ্যে। সেই সময় হাতেনাতে তাঁকে ধরেন আইপিএলের দুর্নীতিদমন শাখার আধিকারিকেরা।
জানা গিয়েছে, জেরায় চন্দ্রশেখর জানিয়েছেন, কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থার সদস্য গণেশ পরিক্ষীত তাঁকে টিকিটগুলি দিয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে বলেছিলেন। ঘটনার পর থেকে গণেশ পলাতক। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। এই ঘটনায় একটি এফআইআর দায়ের করেছেন কেন্দ্রীয় অপরাধদমন শাখা।
এমন সময়ে এই ঘটনা সামনে এসেছে যখন আইপিএলের ম্যাচের টিকিট বণ্টন নিয়ে বার বার বিতর্ক হচ্ছে কর্নাটকে। এর আগে কর্নাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার জানিয়েছিলেন, রাজ্যের প্রত্যেক বিধায়ককে আইপিএলে বেঙ্গালুরুর ঘরের ম্যাচের তিনটি করে টিকিট দেওয়া হবে।
এই ঘটনায় বিতর্ক শুরু হয়েছিল। বিরোধী পক্ষের অভিযোগ ছিল, সাধারণ মানুষের দিকে না তাকিয়ে নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করছে রাজ্যের শাসক দল। সাধারণ মানুষও সমাজমাধ্যমে অভিযোগ করেছিল। তাদের দাবি ছিল, যেখানে আইপিএলের টিকিট পেতে হন্যে হয়ে সকলকে ঘুরতে হচ্ছে, সেখানে বিধায়ক ও মন্ত্রীরা খেলা দেখতে যাচ্ছেন। তার পরেই এ বার কালোবাজারির ঘটনা সামনে এসেছে।