বৈভব সূর্যবংশী। —ফাইল চিত্র।
এখনও গ্রুপ পর্ব শেষ হয়নি। তার আগেই গত সব বছরের রেকর্ড ভাঙতে চলেছে এ বারের আইপিএল। শনিবার পঞ্জাব-লখনউ ম্যাচেই ছক্কার সব রেকর্ড ভাঙতে চলেছে এ বারের প্রতিযোগিতা। নেপথ্যে বৈভব সূর্যবংশীদের বিধ্বংসী ব্যাটিং।
এখনও পর্যন্ত আইপিএলে ৬৭টি ম্যাচ হয়েছে। তাতেই ১২৯০টি ছক্কা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতি ১১.৬ বলে একটি ছক্কা মেরেছেন ব্যাটারেরা। গত বার আইপিএলের সব ম্যাচ মিলিয়ে ১২৯৪টি ছক্কা হয়েছিল। অর্থাৎ, প্রতি ১২.৭৬ বল অন্তর ছক্কা মেরেছিলেন ব্যাটারেরা। সেই রেকর্ড ভাঙতে আর পাঁচটি ছক্কা প্রয়োজন। যা পরিস্থিতি তাতে শনিবার পঞ্জাব-লখনউ ম্যাচেই সেই রেকর্ড ভেঙে যাবে। তার পরেও আরও ছ’টি ম্যাচ বাকি থাকবে। ছক্কার সংখ্যা আরও বাড়বে।
আইপিএলে প্রতি বছর ছক্কার সংখ্যা বেড়েছে। ২০২২ সালে মোট ১০৬২টি ছক্কা হয়েছিল আইপিএলে। ২০২৩ সালে তা বেড়ে হয়েছিল ১১২৪। পরের বছর অর্থাৎ, ২০২৪ সালে ১২৬০টি ছক্কা হয়েছিল আইপিএলে। এ বার সংখ্যাটা ১৩০০ ছাড়িয়ে যাবে।
পাওয়ার প্লে-তে ছক্কার সংখ্যা এ বার বেড়েছে। গড়ে ৯.৫ ইকোনমিতে রান হয়েছে। গত বছর পাওয়ার প্লে-তে গড়ে ৯.০৮ ইকোনমিতে রান উঠেছিল। পাওয়ার প্লে-তে রান বাড়ায় ছক্কা মারার সংখ্যাও বেড়েছে।
ছক্কা মারার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বৈভব সূর্যবংশী। রাজস্থান রয়্যালসের এই ১৫ বছরের ছেলে এ বার একাই ৫৩টি ছক্কা মেরেছে, যা ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বাধিক। আইপিএলে এক মরসুমে সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ড রয়েছে ক্রিস গেলের। ২০১২ সালে ৫৯টি ছক্কা মেরেছিলেন তিনি। আর সাতটি ছক্কা মারলে গেলকে টপকে সব মিলিয়ে রেকর্ড গড়বে বৈভব।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন অভিষেক শর্মা। এ বার ৪৩টি ছক্কা মেরেছেন সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদের এই ওপেনার। তিন নম্বরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের রায়ান রিকেলটন। দল প্লে-অফে উঠতে না পারলেও ৩৭টি ছক্কা মেরেছেন তিনি। চার নম্বরে লখনউ সুপার জায়ান্টসের মিচেল মার্শ। তাঁর দলও প্লে-অফে উঠতে পারেনি। তবে মার্শ ৩৬টি ছক্কা মেরেছেন। পাঁচ নম্বরে পঞ্জাব কিংসের প্রিয়াংশ আর্য। তিনি মেরেছেন ৩২টি ছক্কা। প্রথম পাঁচের মধ্যে চার জনই বাঁহাতি ব্যাটার। তবে পাঁচ জনই ওপেনার। তার থেকে বোঝা যাচ্ছে, পাওয়ার প্লে কাজে লাগিয়ে এ বার ছক্কা মারার সংখ্যা বাড়িয়েছেন ওপেনারেরা।