কেকেআরের ব্যাটার অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। —ফাইল চিত্র
রবিবার ইডেনে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মরণ-বাঁচন ম্যাচ। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচের আগে বিপদে পড়তে পারে কেকেআর। অজিঙ্ক রাহানেরা না-ও পেতে পারেন অঙ্গকৃশ রঘুবংশীকে।
বুধবার ইডেনে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে অঙ্গকৃশের ‘কনকাশন’ (মাথায় বা ঘাড়ে চোট) হয়েছে বলে দাবি করে কেকেআর। আর এখানেই বিপত্তি। কারণ, বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি গত বছর নিয়ম চালু করেছে, কোনও ক্রিকেটারের কনকাশন হলে তাঁকে অন্তত সাত দিন মাঠের বাইরে থাকতে হবে। ফলে এই নিয়ম কার্যকর হলে চার দিনের মধ্যে অঙ্গকৃশের খেলার সুযোগ নেই। যদিও আইপিএলের নিয়মে কোথাও আলাদা করে এর উল্লেখ নেই।
অঙ্গকৃশ খেলতে না পারলে বড় ধাক্কা খাবে কেকেআর। কারণ, এ বারের আইপিএলে তিনিই কেকেআরের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক। ১৩টি ম্যাচে ৪২২ রান করেছেন অঙ্গকৃশ। পাঁচটি অর্ধশতরান রয়েছে তাঁর। স্ট্রাইকরেট ১৪৬.৫২।
বুধবার মুম্বইয়ের ইনিংসের ১১তম ওভারে বরুণ চক্রবর্তীর বলে ক্যাচ নিতে গিয়ে অঙ্গকৃশ চোট পান। এর পর উইকেটকিপিং চালিয়ে গেলেও, শেষ পর্যন্ত ১৪তম ওভারে মাঠের বাইরে চলে যান অঙ্গকৃশ। বাকি ইনিংসে উইকেটকিপিং করেন তেজস্বী দাহিয়া। এই নিয়ে বিতর্ক হয়। কারণ, অঙ্গকৃষের মাথায় বা ঘাড়ে কোনও আঘাত লেগেছে বলে মনে হয়নি, শুধু আঙুলেই লেগেছে বলে মনে হয়েছে। প্রশ্ন ওঠে, তা হলে কেন অঙ্গকৃশের কনকাশন হয়েছে বলা হল? এখন দেখা যাচ্ছে, এটা বলে নিজেরাই নিজেদের বিপদ ডেকে আনতে পারে কেকেআর।