সলমন খান যখন রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। ছবি: সংগৃহীত।
মঙ্গলবার রাতে এক পরিচিতকে দেখতে হিন্দুজা হাসপাতালে গিয়েছিলেন সলমন খান। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যান ছবিশিকারিরা। বাইরে বেরিয়ে এত ক্যামেরা দেখেই মেজাজ গরম সলমনের। হাসপাতালের সিঁড়ি থেকে নামতে নামতেই ক্ষোভ প্রকাশ শুরু করেন সলমন। আলোকচিত্রীদের উদ্দেশে জেলে ঢোকানোর চ্যালেঞ্জও দেন! চিৎকার করে বলেন, তাঁকে ‘বিক্রি’ করে টাকা রোজগার করলে, এর ফল নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। মঙ্গলবার এমন রুদ্রমূর্তির পর আবার ক্যামেরার সামনে আসতেই কী বললেন সলমন?
মঙ্গলবার সলমনকে দেখে হাসপাতালের সামনেই ভিড় করতে শুরু করেন ছবিশিকারিরা। একটা ছবির জন্য নাম ধরে চিৎকার করতেই বিরক্ত হয়ে যান সলমন। সেখানে দাঁড়িয়েই একপ্রকার তুলোধনা করেন ছবিশিকারিদের। বাড়ি ফিরে নিজের সমাজমাধ্যমে ক্ষোভ উগরে লেখেন, ‘‘যদি কোনও হাসপাতালের সামনে আমার কষ্ট দেখে সংবাদমাধ্যমের কাউকে আনন্দ পেতে দেখি, বিশেষত সেই সব সংবাদমাধ্যম, যাদের পাশে আমি সব সময়ে দাঁড়িয়েছি, যোগাযোগ রেখেছি, যাদের রুজি-রোজগারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছি— আজ যদি তারা আমার যন্ত্রণা বেচে টাকা রোজগার করতে চায়, আমি মোটেই তা মেনে নেব না। তাতে যদি জেলে ঢোকার ভয় দেখান, দেখাতে পারেন। ভয় পাই না।’’
সলমন মেজাজ দেখিয়ে জানান, তাঁর বয়স ৬০ হতে পারে। কিন্তু, লড়াই করতে ভোলেননি। মঙ্গলবারের ঘটনার পরে আবার যখন তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন, তখন সকলে মিলে সলমনের কাছে ক্ষমা চান। এর পরেই হাসিমুখে ভাইজান তাঁদের বলেন, “এ বার আরও জোরে সরি বল…।” তাঁরা সমবেত কণ্ঠে ‘সরি’ বলতেই রাগ গলে জল সলমনের। ফের হাসিমুখে পোজ় দেন অভিনেতা।