কেকেআরের অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে এবং গুজরাতের অধিনায়ক শুভমন গিল। — ফাইল চিত্র।
২০ ওভারের শেষে গুজরাতকে ২১৮/৩ উইকেটে থামিয়ে দেয় কেকেআর।
বাউন্ডারিতে দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে শুভমনকে ফেরালেন অনুকূল রায়। মাথা ঠাণ্ডা রেখে, বলের উপর চোখ রেখে এবং শরীরের ভারসাম্য রেখে একেবারে বাউন্ডারি লাইন থেকে ক্যাচ নিলেন অনুকূল।
পড়েছে মাত্র ১ উইকেট। তবু রান তুলতেই পারছেন না শুভমনেরা। ১৫ ওভার শেষে ১ উইকেটে ১৬৩।
চলতি আইপিএলের পঞ্চম অর্ধশতরান শুভমনের। তবে আস্কিং রেটের তুলনায় ধীরগতিতে রান করছেন গুজরাত অধিনায়ক।
বড় রানের লক্ষ্য, তবু পাওয়ার প্লে কাজে লাগাতে পারল না গুজরাত। ৬ ওভার শেষে শুভমনেরা ১ উইকেটে ৫৬।
নিজের প্রথম বলেই সিন্ধুকে ফেরালেন নারাইন। বাটলারের আগে কেন তাঁকে নামানো হয়েছিল কে জানে!
ব্যাট করতে নামলেন নিশান্ত সিন্ধু। কার্তিকের বল কনুইয়ে লাগায় উঠে গেলেন সুদর্শন।
কেকেআরের তিন বোলারই রান খরচ করলেন নিজেদের প্রথম ওভারে। এ ভাবে চললে চাপ বাড়তে পারে।
দলে কার্তিক ত্যাগী এবং পাথিরানার মতো বোলার। তা সত্ত্বেও সৌরভ দুবে এবং গ্রিনকে দিয়ে শুরু করালেন। দু’জনেই রান বিলোচ্ছেন অকাতরে।
কেকেআরের হয়ে প্রথম বার খেলতে নামলেন পাথিরানা। অ্যালেনের জায়গায় নামানো হল তাঁকে।
আইপিএলের সেরা উঠতি ক্রিকেটার হওয়ার দৌড়ে সূর্যবংশীর সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছেন রঘুবংশী। করলেন অর্ধশতরান। এ বারের প্রতিযোগিতায় পৌঁছে গেলেন ৪০০ রানের দোরগোড়ায়।
৩৫ বলে ৯৩ রান করে আউট অ্যালেন। সাই কিশোরের বলে বাউন্ডারিতে ক্যাচ ধরলেন রশিদ।
অ্যালেনের সামনে দিশাহারা গুজরাতের বোলিং। মার খাচ্ছেন সকলেই।
জীবন পেলেন অ্যালেন। বাউন্ডারিতে সহজ ক্যাচ ফস্কালেন সিরাজ। পরের ওভারে মিস ফিল্ডে চার। অর্ধশতরান অ্যালেনের।
ইডেনের উইকেট মন্থর। রবি শাস্ত্রী বলছেন, এই উইকেটে বল ব্যাটে আসছে না। তবে কি ১৫০ রানই যথেষ্ট?
সিরাজের বল আগের বলগুলির তুলনায় একটু বেশি ফুলার লেংথে পড়েছিল। আড়াআড়ি খেলতে গিয়ে বোল্ড রাহানে। ১৪ বলে ১৪ রান করলেন কেকেআর অধিনায়ক।
ফিন অ্যালেন ১৩ বলে ৩০ রান করে উইকেটে। দু’টি করে চার ও ছক্কা মেরেছেন কিউয়ি ওপেনার।
প্রথম দু’ওভারে ১৩ রান কেকেআরের। বাউন্ডারি একটি।