ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব (বাঁ দিকে) এবং আমেরিকার অধিনায়ক মোনাঙ্ক পটেল। — ফাইল চিত্র।
সৌরভকে জোড়া চার মেরে ভারতের রান ১০০ পার করে দিলেন অক্ষর পটেল।
ক্রিজ়ে নেমেই ফিরে গেলেন হার্দিক। একটি চার মেরেছিলেন। এর পর চালিয়ে খেলতে গিয়ে হরমীতের বলে ক্যাচ দিলেন সাইতেজার হাতে। ৬ বলে ৫ রান করলেন তিনি।
ভারত ৭৭-৬।
শুরু থেকেই খেলতে সমস্যা হচ্ছিল তাঁর। আমেরিকার বোলারেরা নানা ভাবে সমস্যায় ফেলছিলেন তাঁকে। বড় শট খেলতে আউট রিঙ্কু। মহসিনের বলে ক্যাচ দিলেন মিলিন্দের হাতে। ১৪ বলে ৬ রান করেছেন।
ইনিংসের অর্ধেক হয়ে গেলেও রান বাড়ছে না ভারতের। মূলত মন্থর গতির পিচে রান তুলতে সমস্যা হচ্ছে। বড় শটও খেলা যাচ্ছে না।
গত বিশ্বকাপের পর থেকে পাওয়ার প্লে-তে ভারতের তৃতীয় সর্বনিম্ন স্কোর। আগ্রাসী থাকা ভারতকে প্রথম ম্যাচেই চাপে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা।
খারাপ শট খেলে প্রথম বলেই আউট শিবম। পাওয়ার প্লে-তেই ভারতের চারটি উইকেট ফেলে দিল আমেরিকা।
ভারত ৪৭-৪।
চালিয়ে খেলতে গিয়ে আউট ঈশান। শকউইকের বলে মিলিন্দের হাতে ক্যাচ তুলে দিলেন। ১৬ বলে ২০ করলেন তিনি।
ভারত ৪৫-২।
ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ঈশানের ক্যাচ ফেলে দিলেন আমেরিকার ফিল্ডার। হতাশায় মুখ ঢাকলেন আমেরিকার আলি খান।
প্রথমে ধাক্কা খেলেও ধীরে ধীরে আগ্রাসী হচ্ছে ভারত। চালিয়ে খেলছেন তিলক এবং ঈশান।
ভারত ৩২-১।
প্রথম ২ ওভারে ভাল বল করেছে আমেরিকা। মাত্র ৯ রান দিয়েছে তারা।
প্রথম বলেই ফিরে গেলেন অভিষেক শর্মা। আলি খানের বলে সঞ্জয়ের হাতে ক্যাচ দিলেন। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ‘গোল্ডেন ডাক’ অভিষেকের।
ভারত ৮-১।
সৌরভের পঞ্চম বলে মিড অনের উপর দিয়ে ছয় মারলেন ঈশান।
আমরা প্রথমে ব্যাট করার কথাই ভাবছিলাম। পিচ দেখে ভালই মনে হচ্ছে। হাওয়া বইছে। তাই শিশিরের সম্ভাবনা নেই। ম্যাচের আগেই ওয়াংখেড়ে উত্তেজনায় ফুটছে।