শতরানের পর মার্শ। ছবি: পিটিআই।
টসের সময় ঋষভ পন্থ বলেছিলেন, লখনউয়ের এই পিচে ১৮০-১৯০ রান তুললেই তাঁরা লড়াই করতে পারবেন। প্রথমে ব্যাট করে তার থেকে ২০ রান বেশি তুলল লখনউ। বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে তাদের ইনিংস শেষ হল ২০৯/৩ স্কোরে। সৌজন্যে মিচেল মার্শের শতরান। নজির গড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। বৃষ্টির কারণে অন্তত তিন বার ম্যাচ বন্ধ করতে হয়েছে। ওভারও কমেছে একটি।
এ দিন জশ ইংলিসকে ছাড়াই নেমেছিল লখনউ। তাই মার্শের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন আর্শিন কুলকার্নি। শুরু থেকেই তাঁর ভূমিকা ছিল একটি দিক ধরে রাখার। কারণ উল্টো দিক থেকে তাণ্ডব শুরু করে দিয়েছিলেন মার্শ। ভুবনেশ্বর কুমার, জশ হেজ়লউড, সুযশ শর্মা, রশিখ দার— কাউকেই রেয়াত করেননি তিনি। বৃষ্টি এসে বার বার খেলা থামিয়ে দিলেও মার্শের মনঃসংযোগে ব্যাঘাত ঘটাতে পারেনি। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ থাকার সময়েও মার্শকে গ্লাভস-প্যাড পরে অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছে।
লখনউকে প্রথম ধাক্কাটা দেন ক্রুণাল। ২৪ বলে ১৭ করে ফিরে যান কুলকার্নি। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৯৫ রান। এ দিনও তিনে নামানো হয়েছিল নিকোলাস পুরানকে। পছন্দের জায়গায় খারাপ খেলেননি তিনিও। কুলকার্নির মতোই তিনিও মার্শকে যতটা বেশি সম্ভব স্ট্রাইক দিতে থাকেন। তাঁরা ৭০ রানের জুটি গড়েন। ৯টি চার এবং ৯টি ছয় মেরে ৫৬ বলে ১১১ করেন মার্শ। হেজ়লউডের বলে ফিরে যান তিনি।
পন্থ নেমেছিলেন চারে। তাঁকেও চালিয়ে খেলতে দেখা গিয়েছে। একটি চার মারতে গিয়ে তাঁর হাত থেকে ব্যাট ছিটকে যায়। তবু থামার লক্ষণ দেখাননি। শেষ পর্যন্ত ১০ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন।