ICC T20 World Cup 2026

দুই দলে দুই মর্কেল ভাই! রবিবার ভারতকে হারানোর ছক কষেছেন অ্যালবি, ‘মাঠেই সব জবাব দেব’, পাল্টা দিলেন মর্নি

রবিবার ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে ক্রিকেটবিশ্ব দেখবে দুই ভাইয়ের লড়াই। মর্নি ও অ্যালবি মর্কেল। ম্যাচের আগে একে অপরকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন তাঁরা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:২৮
Share:

ভারতের বোলিং কোচ মর্নি (বাঁ দিকে) ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিশেষ পরামর্শদাতা অ্যালবি মর্কেল। ছবি: এক্স।

এক দিকে মর্নি মর্কেল। ভারতের বোলিং কোচ। অপর দিকে অ্যালবি মর্কেল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিশেষ পরামর্শদাতা। রবিবার ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে ক্রিকেটবিশ্ব দেখবে দুই ভাইয়ের লড়াই। ম্যাচের আগে একে অপরকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন তাঁরা।

Advertisement

একই সঙ্গে ক্রিকেটজীবন শুরু দুই ভাইয়ের। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় দলে একসঙ্গে ৪৮ ম্যাচ খেলেছেন। অ্যালবির তুলনায় মর্নির কেরিয়ার লম্বা। এ বার কোচিংও করছেন একসঙ্গে। ২০২৪ সাল থেকে ভারতের বোলিং কোচ মর্নি। সেই বছর থেকেই প্রোটিয়াদের দলে রয়েছেন অ্যালবি।

ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের আগে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে অহমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে একসঙ্গে বসে দুই ভাই। অ্যালবি বলেন, “আমি বিশেষ পরামর্শদাতা। তাই আমার কাজ ভারতকে হারানোর ছক কষা। সেটাই আমি করেছি।”

Advertisement

মর্নিকে বোলিং কোচ তৈরি করার কৃতিত্বও নিজের কাঁধে নিয়েছেন অ্যালবি। তিনি বলেন, “আমরা একসঙ্গে ক্রিকেট খেলেছি। এখন একই সময়ে দু’জন কোচের ভূমিকায় রয়েছি। শুরুতে আমরা দু’জনে একই দলের কোচ ছিলাম। ওকে বোলিং কোচ করে তোলার নেপথ্যে আমিই রয়েছি। আমিই ওকে শিখিয়েছি, কী ভাবে বোলিং কোচ হতে হয়।”

মর্নি অবশ্য মুখের লড়াইয়ে বিশ্বাসী নন। তিনি মাঠে নেমে জবাব দিতে চান। অ্যালবির চ্যালেঞ্জ শুনে মর্নি বলেন, “আমি ওর থেকে ৩ বছরের ছোট। বাড়িতে সকলের ছোট ছিলাম। সকলে আমাকে বাচ্চা বলত। তাই বাড়ির উঠোনে খেলার সময় শুধুই বল করতে হত। চুপচাপ সেটাই করে গিয়েছি। মুখে কিছু বলিনি। খেলার মাঠে জবাব দিয়েছি। রবিবারও সেটাই করব।”

অ্যালবি পাল্টা খোঁচা মেরেছেন মর্নিকে। জানিয়েছেন, কী ভাবে বাড়ির উঠোনে খেলার সময় কেঁদে ফেলতেন ভারতীয় দলের বোলিং কোচ। অ্যালবি বলেন, “আমার মনে আছে, সব খেলার শেষ হত কান্নাতে। কারণ, বাড়ির উঠোনে তো আমাকে ও আউটই করতে পারত না। তাই ও সব সময় ঝগড়া করত। ও কাঁদতে শুরু করত। তাতেই খেলা শেষ হয়ে যেত।”

মর্নি অবশ্য জানিয়েছেন, রবিবার তিনি কাঁদবেন না। বরং ছোটবেলায় যা হত, রবিবার তার উল্টো ছবি দেখা যাবে। দু’জনেই একই লক্ষ্যে মাঠে নামবেন। তাতে সমস্যায় পড়েছে তাঁদের পরিবার। রবিবার তাঁরা কোন ভাইকে সমর্থন করবেন, তা নিয়ে চিন্তায় তাঁরা। কিন্তু কিছুটা হলেও এগিয়ে অ্যালবি। কারণ, তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার দলে রয়েছেন। ফলে রবিবার পরিবারের সমর্থন কিছুটা হলেও বেশি পাবেন তিনি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement