শাহিন শাহ আফ্রিদি (বাঁ দিকে) ও বাবর আজ়ম। —ফাইল চিত্র।
বদল অবশ্যম্ভাবী ছিল। সেটাই হল। ভারতের কাছে হারের পর শোনা গিয়েছিল, বাবর আজ়ম, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও শাদাব খানকে বাদ দিতে পারে পাকিস্তান। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া বদল করল তারা। কিন্তু তিন জনই বাদ পড়েননি। এই তিন ক্রিকেটারের মধ্যে একমাত্র শাহিনকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বাবর ও শাদাব খেলছেন।
নামিবিয়ার বিরুদ্ধে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। দলের অধিনায়ক সলমন আলি আঘা জানান, দলে দুই বদল হয়েছে। তিনি বলেন, “শাহিন শাহ আফ্রিদি ও আবরার আহমেদ খেলছে না। তাদের বদলে খোয়াজা নাফায় ও সলমন মির্জ়া দলে এসেছেন।”
নাফায় উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। মির্জ়া পেসার। অর্থাৎ, এক পেসারের বদলে পেসারকে এনেছে পাকিস্তান। কিন্তু এক স্পিনারের বদলে ব্যাটার দলে নিয়েছে তারা। এই সিদ্ধান্ত থেকে পরিষ্কার, দলের ব্যাটিং গভীরতা বাড়াতে চেয়েছে পাকিস্তান। দলে স্পিনারের অভাব নেই। ভারতের বিরুদ্ধে ছয় স্পিনার বদল করেছেন। তার বদলে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে পাঁচ স্পিনারেই হয়ে যাবে বলে মনে করেছেন সলমনেরা। ফলে এক অতিরিক্ত ব্যাটার খেলানো হয়েছে।
ভারতের কাছে হারের পর শোনা গিয়েছিল, বাবর, শাদাব ও শাহিনের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সে খুশি নন পাক ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি। তিনি নাকি সরাসরি কোচ মাইক হেসন ও অধিনায়ক সলমনকে দলে বদলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আদতে বাবর ও শাদাবকে সরানোর সাহস পায়নি পাকিস্তান। কারণ, শ্রীলঙ্কার পিচে তাদের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যাটার বাবর। বিশেষ করে ছোট দলের বিরুদ্ধে বাবরের ভাল পারফরম্যান্স রয়েছে। সেই কারণে তাঁকে আরও একটি সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সুযোগ পেয়েছেন শাদাবও। কিন্তু শাহিনকে আর দলে রাখেনি পাকিস্তান।
নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলা শুরুর আগে মাঠে নেমে সকলের আগে অনুশীলন শুরু করেছিলেন শাহিন। দেখে মনে হয়েছিল, তিনি খেলবেন। কিন্তু আদতে দেখা গেল, তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে। দুই তরুণ ক্রিকেটার নাফায় ও মির্জ়াকে খেলিয়ে দেখে নিতে চাইছেন সলমনেরা।