পাকিস্তানের অফ-স্পিনার উসমান তারিক। —ফাইল চিত্র
গত রবিবারের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আগে সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়েছিল পাক স্পিনার উসমান তারিককে নিয়ে। কিন্তু সূর্যকুমার যাদবকে ১৯তম ওভারে আউট করা ছাড়া তিনি আর বিশেষ কিছু করতে পারেননি। পাকিস্তানও গো-হারা হারে। সেই ম্যাচের পর এই প্রথম মুখ খুললেন তারিক।
বল ছাড়ার ঠিক আগে থমকে দাঁড়িয়ে পড়া এই অফস্পিনার বলেছেন, ভারতের কাছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শোচনীয় পরাজয়ের ধাক্কা সামলে উঠে তাঁরা পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। শুধু তা-ই নয়, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন পাকিস্তানের স্পিনার।
ভারতের কাছে ৬১ রানে হার পাকিস্তানকে এখন মরণ-বাঁচন পরিস্থিতিতে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সুপার এইট নিশ্চিত করতে বুধবার কলম্বোয় গ্রুপ এ-র শেষ ম্যাচে নামিবিয়াকে হারাতেই হবে তাদের। নেট রানরেটে আমেরিকার নীচে থেকে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। এই ম্যাচে হারলেই বিদায়।
এই ম্যাচ নিয়ে সাংবাদিকদের তারিক বলেন, ‘‘দলের মনোবল ফেরানো তখনই কঠিন হয় যখন আগের ম্যাচের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়া হয় না। আমরা ভুলগুলো নিয়ে কাজ করেছি। তাই মনে হয় না, খুব কঠিন কাজ হবে। আমাদের একটাই লক্ষ্য, একই ভুল আর দ্বিতীয় বার না করা।’’
কলম্বোর উইকেটে ভারতের বিরুদ্ধে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত এবং ১৭৬ রান তাড়া করতে নেমে ১৮ ওভারে ১১৪ রানে অলআউট হয়ে যাওয়ার কারণে পাকিস্তান ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে।
এ প্রসঙ্গে তারিক বলেন, ‘‘আমরা সমর্থকদের হতাশা বুঝতে পারছি। গোটা দেশ এই ম্যাচটা দেখে। আমরা তাঁদের কষ্ট বুঝতে পারছি। আমি নিশ্চিত যে, পরের বার যখন আমরা ভারতের মুখোমুখি হব, ভাল পারফরম্যান্স উপহার দেব।’’
দাবি উঠেছে, নামিবিয়া ম্যাচে বাবর আজম ও শাহিন শাহ আফ্রিদিকে দল থেকে বাদ দেওয়া হোক। শোনা যাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি নিজে নাকি পাকিস্তানের টিম ম্যানেজমেন্টকে এই নির্দেশ দিয়েছেন। তারিক একমত নন। বলেন, ‘‘বাবর এবং শাহিন দু’জনেই পাকিস্তানকে অনেক ম্যাচ জিতিয়েছে। তাই একটা ম্যাচে ভাল না করলে ওদের বাতিলের খাতায় ফেলে দেওয়া উচিত নয়।’’
সুপার এইট এখনও নিশ্চিত না হলেও তারিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। বলেন, ‘‘আমাদের লক্ষ্য হল ফাইনালে ওঠা এবং ট্রফি জেতা।’’