IPL 2026

টানা আধডজন হারে বিধ্বস্ত পঞ্জাব! ডাগআউটে হতাশ কোচ পন্টিং, মালকিন প্রীতির সঙ্গে আলোচনা অধিনায়ক শ্রেয়সের

আইপিএলে পর পর ছ’টি ম্যাচ হেরেছে পঞ্জাব কিংস। প্লে-অফে ওঠার অঙ্ক নিজেরাই কঠিন করে ফেলেছে তারা। পর পর হারের ধাক্কায় বিধ্বস্ত পঞ্জাব।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ মে ২০২৬ ১২:০১
Share:

প্রীতি জ়িন্টা (বাঁ দিকে) ও শ্রেয়স আয়ার। ছবি: এক্স।

যে দলকে এক সময় দেখে মনে হচ্ছিল, অপরাজিত থেকে প্লে-অফে উঠবে, সেই দল এখন ধুঁকছে। প্রথম সাত ম্যাচে একটিও না হারা পঞ্জাব কিংস পরের ছ’টি ম্যাচেই হেরেছে। আইপিএলে টানা আধডজন ম্যাচ হেরে বিধ্বস্ত পঞ্জাব শিবির। কোচ, অধিনায়ক থেকে মালকিন, প্রত্যেককে দেখে বোঝা যাচ্ছে, মানসিক ভাবে কোন পরিস্থিতিতে তাঁরা।

Advertisement

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে হারের পর প্লে-অফে ওঠার সুযোগ আর নিজেদের হাতে নেই পঞ্জাবের। অন্য দলের উপর নির্ভর করতে হবে গত বারের রানার্স দলকে। এই পরিস্থিতিতে খেলা শেষে দেখা গিয়েছে, ডাগআউটে হতাশ হয়ে বসে রয়েছেন রিকি পন্টিং। তাঁকে দেখে বোঝা যাচ্ছে, কী বলবেন বুঝতে পারছেন না। কী ভাবে এই পরিস্থিতি হল, সেটাও হয়তো বুঝতে পারছেন না তিনি।

মাঠের ধারে সেই সময় দলের মালকিন প্রীতি জ়িন্টাকে দেখা যায় শ্রেয়স আয়ারের সঙ্গে কথা বলছেন। প্রতিটি ম্যাচেই মাঠে থাকেন প্রীতি। প্রথম সাত ম্যাচে তাঁর মুখে যে হাসি ছিল তা উধাও। অধিনায়কের সঙ্গে তাঁর কথা বলার ভঙ্গি দেখে বোঝা যাচ্ছিল, খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু বলছেন। শ্রেয়সকেও জবাব দিতে দেখা যায়। তাঁদের দু’জনের মুখই গম্ভীর ছিল।

Advertisement

যদিও খেলা শেষে শ্রেয়স জানিয়েছেন, তিনি সব সময় ইতিবাচক থাকতে ভালবাসেন। শ্রেয়স বলেন, “ম্যাচের ফলাফল যা-ই হোক, আমি সব সময় ইতিবাচক থাকি। আমি মানুষটাই এ রকম। মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ি না।” টানা আধডজন হারের পরেও তাঁর মনোভাব বদলাবে না বলে জানিয়েছেন শ্রেয়স। তিনি বলেন, “আমি অতীত নিয়ে খুব একটা ভাবি না। যেটা হয়ে গিয়েছে, হয়ে গিয়েছে। কাল আবার সূর্যোদয় দেখতে যাবে। অন্ধকার সুড়ঙ্গের শেষে আলোর দেখা পাওয়া যাবেই।”

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ২২৩ রান তাড়া করতে নেমে ৮ উইকেটে ১৯৯ রানে শেষ হয় পঞ্জাবের ইনিংস। শ্রেয়সের মতে, প্লাওয়ার প্লে-তেই খেলা হেরে গিয়েছেন তাঁরা। তিনি বলেন, “২২৩ রান তাড়া করা খুব কঠিন ছিল না। তবে তার জন্য শুরুটা ভাল হতে হত। পাওয়ার প্লে-তেই আমার হেরে গেলাম। আমাদের তিন উইকেট পড়ে গেল। এর আগে আমাদের দলের বেশির ভাগ রান প্রিয়াংশ ও প্রভসিমরন করেছে। ওরা ভাল শুরু দিত। তার পর আমি ধরতাম। কিন্তু এই ম্যাচে সেটা হল না।”

একটা সময় মনে হচ্ছিল, বড় ব্যবধানে হারবে পঞ্জাব। কিন্তু শশাঙ্ক সিংহের লড়াকু অর্ধশতরানে খেলায় ফেরে পঞ্জাব। শশাঙ্কের প্রশংসা করেছেন শ্রেয়স। তিনি বলেন, “খুব হতাশ লাগছে। শশাঙ্ক ও স্টোইনিস যে খেলাটা খেলল, সে রকম যদি আরও এক জন খেলতে পারত, তা হলে হয়তো ছবিটা অন্য রকম হত। শুরুটা আরও একটু ভাল করতে হত। তা হলে হয়তো জিততেই পারতাম।”

বেঙ্গালুরুর কাছে হারের পর ১৩ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট পঞ্জাবের। তাদের আর একটি ম্যাচ বাকি। লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারাতে পারলে ১৫ পয়েন্ট হবে গত বারের রানার্সদের। কিন্তু সেই ম্যাচও হারলে তাদের যে প্লে-অফে ওঠার সুযোগ আর থাকবে না, তা পরিষ্কার। এই পরিস্থিতিতে দলের পরিবেশ কতটা খারাপ, তা কোচ, মালকিনের চোখমুখ থেকেই পরিষ্কার।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement