রাহুল দ্রাবিড়। — ফাইল চিত্র।
দু’বছর আগে তাঁর কোচিংয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এ বছর তিনি দূর থেকে সূর্যকুমার যাদবদের ট্রফি তুলতে দেখেছেন। রাহুল দ্রাবিড়ের মনে হয়েছে, সূর্যেরা খুব কঠিন একটা কাজ করে দেখিয়েছেন। কারণ দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ জেতা মোটেই সহজ নয়।
রবিবার বোর্ডের তরফে জীবনকৃতি পুরস্কারে সম্মানিত করা হয় দ্রাবিড়কে। তার ফাঁকেই তিনি বলেন, “ভারতকে বিশ্বকাপ জিততে দেখে দারুণ লেগেছে। বিশ্বের সেরা টি-টোয়েন্টি দলের থেকে পারফরম্যান্স প্রত্যাশিত, সেটাই দেখতে পেয়েছি। প্রত্যাশা ছিল প্রচুর। ভারত ট্রফির দাবিদার হিসাবেই শুরু করেছিল যা সহজ ছিল না। নিশ্চিত ভাবেই ভারতের দলটা খুব ভাল ছিল। কিন্তু দাবিদার হিসাবে খেলতে নেমে ট্রফি জেতা সহজ নয়। অনেক রকম চাপ ও চ্যালেঞ্জ থাকে। সূর্য এবং গৌতমেরা (গম্ভীর) সেই কাজটা করে দেখাল। অসাধারণ লাগছে।”
বিশ্বকাপের শুরুতে সুযোগ না পেলেও প্রতিযোগিতার সেরা ক্রিকেটার হয়েছেন সঞ্জু স্যামসন। তাঁকে তুলে আনার নেপথ্যে দ্রাবিড়ের কৃতিত্ব কম নয়। ভারতের প্রাক্তন কোচ বলেছেন, “শেষ তিন ম্যাচে সব বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে সঞ্জুকে সফল হতে দেখে খুব খুশি হয়েছি। তিনটেই ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ছিল। দীর্ঘ দিন ধরেই সঞ্জু দল থেকে বাদ পড়ছিল, আবার ঢুকছিল। কঠিন সময় কাটিয়ে ও যে ভাল খেলতে পেরেছে এটাই খুশির ব্যাপার। কঠোর পরিশ্রম করার পর কাউকে সাফল্য পেতে দেখলে ভালই লাগে।”
গত কয়েক বছরে একের পর এক আইসিসি প্রতিযোগিতা জিতেছে ভারত। পুরুষ ও মহিলাদের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ, দু’টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পাশাপাশি মহিলাদের বিশ্বকাপও জিতেছে। দ্রাবিড় মনে করেন, ভারতের হাতে যে প্রতিভা রয়েছে সেটাই অবশেষে সাফল্য এনে দিচ্ছে।
ভারতের প্রাক্তন কোচ বলেছেন, “ভারতীয় ক্রিকেটে প্রতিভার অভাব নেই। এটা এমন একটা সময় যখন সব দিক প্রতিভার আসল রূপ দেখা যাচ্ছে। মাঠের বাইরে আমরা যখনই যা চেয়েছি সেটা পেয়েছি। এখনকার ক্রিকেটারেরাও সেটাই পাচ্ছে। ফলাফলের মাধ্যমে প্রতিভার আসল রূপ দেখা যাচ্ছে এ বার।”