ঋষভ পন্থ। — ফাইল চিত্র।
নিউ জ়িল্যান্ড সিরিজ়ের আগে চোট পেয়েছিলেন। তা এখনও পুরোপুরি সারাতে পারেননি ঋষভ পন্থ। রোজই একটু একটু করে উন্নতি হচ্ছে তাঁর। আইপিএলের আগে পুরোপুরি ফিট হতে মরিয়া ভারতের উইকেটকিপার। তাই বোর্ডের উদ্যোগে নতুন একটি চিকিৎসার সাহায্য নিলেন তিনি।
পন্থের এই চিকিৎসাকে বলা হচ্ছে হাইপারবারিক অক্সিজেন থেরাপি বা এইচবিওটি। এর সাহায্যে উচ্চ চাপের সাহায্যে শরীরে বিশুদ্ধ অক্সিজেন ঢোকানো হয়। শরীরে অক্সিজেন বেড়ে যাওয়ার ফলে তা কোষকে দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করে। চোট পাওয়ার পর এই চিকিৎসার সাহায্য নিলে দ্রুত সেরে ওঠার সম্ভাবনা থাকে।
সম্প্রতি একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে। পন্থকে দেখা যাচ্ছে, গোলাকার একটি যন্ত্রে ঢুকে পড়তে। সেখানে ঢুকে তিনি ভিতরে বসে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। বদ্ধ কেবিনের মতো ওই যন্ত্রের সাহায্যেই শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ানো হয়।
উল্লেখ্য, গত ৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব পিকলবল লিগের এক অনুষ্ঠানে পন্থ বলেছিলেন, “রোজ আমার ফিটনেসের একটু একটু করে উন্নতি হচ্ছে। বোর্ডের উৎকর্ষ কেন্দ্রে পরিশ্রম করছি। আশা করি দ্রুত মাঠে নামতে পারব।”
পন্থের সংযোজন, “চোট পাওয়ার পর ক্রিকেটের প্রতি ভালবাসা আরও বেড়ে যায় আমার। তাই জন্যই দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার চেষ্টা করি। অনেকেই পাশে থাকেন। ক্রিকেটার হিসাবে রোজই নিজের উন্নতি দেখতে চাই। নিজেকে আরও ভাল করে তোলার চেষ্টা করছি।”
গাড়ি দুর্ঘটনায় চোট পেয়ে ক্রিকেটজীবন নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। সে সব কাটিয়ে ক্রিকেটে ফিরেছেন। ইংল্যান্ড সিরিজ়ে গোড়ালি ভাঙার পরেও ক্রিকেটে ফিরেছেন। পন্থের আশা, এ বারও তিনি আরও শক্তিশালী হয়ে মাঠে ফিরবেন। প্রতি বার প্রত্যাবর্তন থেকে কিছু না কিছু শিখেছেন বলে জানিয়েছিলেন ভারতের উইকেটকিপার।
পন্থ বলেছিলেন, “প্রতিটা প্রত্যাবর্তনই জীবনের ব্যাপারে আমাকে কিছু না কিছু শিখিয়েছে। কৃতজ্ঞতার অর্থ শিখেছি, কী ভাবে আশপাশের জিনিসকে দেখতে হবে এবং ক্রিকেটের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে খুশি থাকতে হবে, সেটা শিখেছি। চোট পেলে ক্রিকেট খেলাটা খুব মিস্ করি। ক্রিকেট খুব ভালবাসি। তবে মাঠে নেমে খেললেই সেটা সবচেয়ে ভাল উপভোগ করা যায়। চোট পেলে সেটাই সবচেয়ে মিস্ করি।”