IPL 2026

আবার দলকে জেতালেন সমীর, মুম্বইকে হারিয়ে আইপিএলের শীর্ষে দিল্লি, দাম পেল না সূর্যকুমারের অর্ধশতরান

আগের ম্যাচে করেছিলেন অপরাজিত ৭০। এই ম্যাচে করলেন ৯০। দুই ম্যাচে সমীর রিজ়ভির দুই ইনিংস আইপিএলের শীর্ষে তুলে দিল দিল্লি ক্যাপিটালসকে। ঘরের মাঠে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৬ উইকেটে হারাল তারা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:২৮
Share:

অর্ধশতরানের পর সমীরের উচ্ছ্বাস। ছবি: পিটিআই।

আগের ম্যাচে করেছিলেন অপরাজিত ৭০। এই ম্যাচে করলেন ৯০। দুই ম্যাচে সমীর রিজ়ভির দুই ইনিংস আইপিএলের শীর্ষে তুলে দিল দিল্লি ক্যাপিটালসকে। ঘরের মাঠে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৬ উইকেটে হারাল তারা। অক্ষর পটেলের দলের রান রেটও ভাল জায়গায় পৌঁছে গেল। প্রথমে ব্যাট করে মুম্বই ১৬২/৬ তুলেছিল। জবাবে ১১ বল বাকি থাকতেই জিতে যায় দিল্লি।

Advertisement

কোটলার মাঠে ১৬৩ রান তোলা খুব একটা বড় ব্যাপার নয়। কিন্তু শুরুতেই দু’টি উইকেট হারিয়ে দিল্লি চাপে পড়ে গিয়েছিল। প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যর্থ কেএল রাহুল (১)। প্রথম ওভারেই দীপক চহরের বলে আউট হলেন। অতীতে আইপিএলে ধারাবাহিক ভাবে রান করা রাহুলের ফর্ম চিন্তায় রাখবে দিল্লিকে। দ্বিতীয় ওভারে নীতীশ রানাকেও হারায় দিল্লি। জসপ্রীত বুমরাহের বলে এক রান নিতে গিয়েছিলেন নীতীশ। ভাবতেও পারেননি বুমরাহ দ্রুত সেই বল তুলে উইকেট ভেঙে দেবেন।

৭ রানে ২ উইকেট পড়ে যাওয়া দিল্লিকে বাঁচান পাথুম নিসঙ্ক এবং সমীর। শুরুতে অবশ্য সমীর নয়, আগ্রাসী খেলছিলেন নিসঙ্ক। চহরকে চার মারা দিয়ে শুরু। মিচেল স্যান্টনারকে পরের ওভারে দু’টি চার মারেন। পঞ্চম ওভারে শার্দূল ঠাকুরকে পর পর তিন বলে একটি ছয় এবং দু’টি চার মারেন।

Advertisement

এর পর হঠাৎই দিল্লির রান তোলার গতি কমে যায়। তিন ওভারে ১৫ রান ওঠে। দশম ওভারে স্যান্টনারের বলে ফিরে যান নিসঙ্ক (৪৪)। পরের ওভার থেকেই শুরু হয় সমীরের দাপট। করবিন বশকে দু’টি ছয় এবং দু’টি চার মারেন। পার পাননি মারকান্ডে, শার্দূলও। দেখে মনে হচ্ছিল শতরান করবেন সমীর। তবে বশের বলে তিলক বর্মার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান সমীর। সাতটি চার এবং সাতটি ছয়ের সাহায্যে ৫১ বলে ৯০ করেন তিনি। দিল্লিকে জিতিয়ে দেন ডেভিড মিলার (অপরাজিত ২১)।

তার আগে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে মুম্বইও। অসুস্থ থাকায় এ দিন হার্দিক পাণ্ড্য খেলতে পারেননি। তাঁর জায়গায় নেতৃত্ব দেন সূর্যকুমার যাদব। দিল্লির অধিনায়ক অক্ষর টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন। কলকাতার বিরুদ্ধে রান পেয়েছিলেন রোহিত শর্মা এবং রায়ান রিকেলটন। এ দিন রিকেলটন ব্যর্থ। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ১১ বলে ৯ রান করে ফিরে যান। একই ওভারে ফেরেন তিলক বর্মাও। তৃতীয় ওভারে জোড়া ধাক্কা দিয়ে মুম্বইকে চাপে ফেলে দেন মুকেশ কুমার।

Advertisement

সেখান থেকে হাল ধরেন রোহিত এবং সূর্যকুমার। তৃতীয় উইকেটে ৫৩ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। রোহিত বেশ আগ্রাসী খেলছিলেন। ধীরে ধীরে অর্ধশতরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। ২৬ বলে ৩৫ রান করে ফিরে যান তিনি। মারেন পাঁচটি চার এবং একটি ছয়। শেরফানে রাদারফোর্ডও টিকতে পারেননি। তিনি ৭ বলে ৫ রান করেন। সূর্যকুমারের সঙ্গে যোগ দেন নমন ধীর। একটা দিক রেখেছিলেন সূর্যকুমার। তিনি চালিয়ে খেলে তিনটি চার এবং দুটি ছয়ের সাহায্যে ৩৬ বলে ৫১ করেন। নমন করেন ২১ বলে ২৮। দিল্লির হয়ে মুকেশ দু’টি উইকেট নেওয়া ছাড়াও একটি করে উইকেট পেয়েছেন লুনগি এনগিডি, অক্ষর পটেল, বিপরাজ নিগম এবং টি নটরাজন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement