IPL 2026

১১ বছরের সম্পর্ক শেষ! কেন রাজস্থান ছেড়ে চেন্নাইয়ে গেলেন সঞ্জু, ফাঁস করলেন আইপিএলের আগে

গত বার পর্যন্ত রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক ছিলেন সঞ্জু স্যামসন। অথচ এ বার প্রতিযোগিতার আগে রাজস্থান ছেড়ে চেন্নাই সুপার কিংসে গিয়েছেন সঞ্জু। এই সিদ্ধান্তের নেপথ্য কারণ কী?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ মার্চ ২০২৬ ১২:৩৬
Share:

সঞ্জু স্যামসন। —ফাইল চিত্র।

কেন রাজস্থান রয়্যালস ছাড়লেন সঞ্জু স্যামসন? এই প্রশ্ন নিয়ে বিভিন্ন জল্পনা হয়েছে। কেউ বলেছেন, দলের মালিকের সঙ্গে মনোমালিন্য হয়েছিল। কেউ বলেছেন, দলে সম্মান পাচ্ছিলেন না। অবশেষে নেপথ্য কাহিনি জানালেন সঞ্জু নিজেই।

Advertisement

২০১৩ থেকে ২০১৫ ও তার পর ২০২৮ থেকে ২০২৫, অর্থাৎ, ১১ বছর রাজস্থানে খেলেছেন সঞ্জু। মাঝে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে রাজস্থান নির্বাসিত থাকায় দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলেছিলেন তিনি। গত বছরও ছিলেন রাজস্থানের অধিনায়ক। সেই সঞ্জুই এ বার প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবেন রাজস্থানের বিরুদ্ধে। আইপিএল শুরু হওয়ার আগে ভারতীয় ক্রিকেটার জানিয়েছেন, তাঁর রাজস্থান ছাড়ার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি ব্যক্তিগত ছিল।

সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের এক ভিডিয়োতে মুখ খুলেছেন সঞ্জু। তিনি বলেন, “আগে এই ঘটনা ঘটেনি। এই প্রথম বার আমি আইপিএলে রাজস্থানের বিপক্ষে খেলব। মাঠে নামার পর কোনও আবেগ কাজ করবে না। কিন্তু ম্যাচের আগে ও পরে আমার মনে হবে, ওই দলের অনেক ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফ আমার বন্ধু। ওদের প্রতি সম্মান আছে। কিন্তু মাঠে নিজের দলের জন্যই নামব।”

Advertisement

সঞ্জু জানিয়েছেন, রাজস্থানের হয়ে আর কিছু দেওয়ার বাকি ছিল না তাঁর। তাই নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। সঞ্জু বলেন, “রাজস্থানে আমার সময় শেষ হয়ে গিয়েছিল। আর কিছু দেওয়ার ছিল না। তাই সামনের দিকে এগিয়েছি। নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়েছি।”

নতুন দলে মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে পাবেন তিনি। তাতে তাঁর ক্রিকেট আরও উন্নত হবে বলে মনে করেন সঞ্জু। তিনি বলেন, “মাহি ভাইয়ের সঙ্গে আগে অনেক বার কথা বলেছি। কিন্তু টানা দু’মাস একসঙ্গে কাটানোর সুযোগ হয়নি। নতুন অভিজ্ঞতা হবে। এতে আমার ক্রিকেটই আরও উন্নত হবে।”

কয়েক দিন আগে বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার হয়েছেন সঞ্জু। শেষ তিনটি ম্যাচে ৯৭, ৮৯ ও ৮৯ রান করেছেন তিনি। ভারতকে জেতাতে বড় ভূমিকা নিয়েছেন। এই তিন ম্যাচের মধ্যে ইডেনে সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় ম্যাচকেই সবচেয়ে এগিয়ে রেখেছেন সঞ্জু। তিনি বলেন, “ওটা প্রত্যাবর্তনের ম্যাচ ছিল। ঠান্ডা মাথায় খেলেছি। ম্যাচ জিতিয়ে সাজঘরে ফিরে একটা আধ্যাত্মিক পরিবেশ তৈরি করেছিলাম। তার মধ্যেই থেকেছি। বিশ্বকাপ জেতার পরেও সেই আধ্যাত্মিক অনুভূতি আমার হয়েছে। এই অনুভূতি খেলারও ঊর্ধ্বে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement