IPL 2026

আইপিএলের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ক্যাচ? নিজেই নিজের পিঠ চাপড়ে দিলেন শ্রেয়স, ভুলতে পারছেন না মুগ্ধ সচিনও

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে শ্রেয়স আয়ারের ক্যাচ মুগ্ধ করেছে ক্রিকেটবিশ্বকে। মনে করা হচ্ছে, আইপিএলে আর এ রকম ক্যাচ দেখা যাবে না। সেই ক্যাচ নিয়ে কথা বললেন সচিন তেন্ডুলকর।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৩৭
Share:

শ্রেয়সের সেই ক্যাচ। অবাক হয়ে দেখছেন সূর্যকুমার, রোহিত। ছবি: পিটিআই।

বৃহস্পতিবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে শ্রেয়স আয়ারের ক্যাচ দেখে মুগ্ধ ক্রিকেটবিশ্ব। অনেকেই মনে করছেন, আইপিএলে আর এ রকম ক্যাচ দেখা যাবে না। অতীতে আইপিএলে বহু বার ‘রিলে ক্যাচ’ দেখা গিয়েছে। অর্থাৎ প্রথম ফিল্ডার বল তালুবন্দি করার পর ভারসাম্য না রাখতে পেরে সতীর্থের হাতে বল ছুড়ে দিয়েছেন। দ্বিতীয় ফিল্ডার ক্যাচ ধরেছেন। তবে শ্রেয়স বৃহস্পতিবার যে ক্যাচটি ধরেছেন, তা শুধু কঠিনই ছিল না, প্রচণ্ড বুদ্ধি কাজে লাগাতে হয়েছে সেই ক্যাচের জন্য। ম্যাচের পর নিজেই নিজের পিঠ চাপড়ে দিয়েছেন শ্রেয়স।

Advertisement

মুম্বইয়ের ইনিংসের ১৮তম ওভারে ক্যাচটি হয়। মার্কো জানসেনের বল তুলে মেরেছিলেন হার্দিক পাণ্ড্য। বলটি বাউন্ডারির দড়়ি পেরিয়েই যাচ্ছিল। শেষ মুহূর্তে শূন্যে ভাসা অবস্থায় ক্যাচটি নেন শ্রেয়স। পড়ে যাওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে তিনি বল ছুড়ে দেন সামনে দাঁড়িয়ে থাকা জ়েভিয়ার বার্টলেটের হাতে। বার্টলেট সেটি তালুবন্দি করেন।

শ্রেয়স ক্যাচটি ধরেছিলেন মুম্বইয়ের ডাগআউটের সামনে। সেখানে বসে থাকা রোহিত শর্মা, সূর্যকুমার যাদবেরা সেই ক্যাচ দেখে অবাক হয়ে যান। রোহিতের মুখ হাঁ হয়ে যায়। শ্রেয়স দু’হাত তুলে সেখানেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে থাকেন।

Advertisement

ম্যাচের পর শ্রেয়সকে অনুরোধ করা হয় ক্যাচটি নিয়ে একটি শব্দ বলতে। শ্রেয়স বলেন, “দর্শনীয়।” একটু থেমে তিনি বলেন, “কেউ তো ক্যাচটার প্রশংসা করছে না। তাই নিজেই নিজের প্রশংসা করছি।” এ কথা বলে তিনি নিজের পিঠ নিজেই চাপড়ে দেন।

শ্রেয়সের ক্যাচ ভুলতেই পারছেন না সচিন। তিনি প্রশংসা করেছেন শ্রেয়সের বুদ্ধি এবং ফিটনেসের। সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, “শ্রেয়সের ওই অসাধারণ ক্যাচের নেপথ্যে শুধুমাত্র শারীরিক সক্ষমতাই নেই, রয়েছে অসাধারণ বুদ্ধিও। ওকে বলের গতি, উচ্চতা, বাউন্ডারি লাইনের অবস্থান, সেটা অতিক্রম করার কত কাছাকাছি রয়েছে ও— এই বিষয়গুলোও ভাবতে রয়েছে। যে ভাবে লাফ মেরেছে তা নিখুঁত। এর পর বাতাসে ভেসে থাকাকালীনই বলটা ধরেছে এবং পড়ে যাওয়ার আগে সতীর্থের দিকে তা ছুড়ে দিয়েছে। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে ওকে বুঝতে হয়েছে ফিল্ডার কোথায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। সেকেন্ডের ভগ্নাংশের মধ্যে এই বিষয়গুলো ভেবে নেওয়ার মাধ্যমে ওর অসাধারণ বুদ্ধি, সময়জ্ঞান, ফিটনেস এবং ঠান্ডা মাথাই বোঝা যাচ্ছে।”

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement