(বাঁ দিকে) কুইন্টন ডি কক এবং ড্যারেন স্যামি (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
অবশেষে দেশে ফিরছে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। কলকাতায় আটকে থাকা দু’দলের জন্য বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করা হয়েছে গত শুক্রবার। তবু পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য দু’টি দলই দেশে ফিরতে পারছিল না। মঙ্গলবার দেশে ফিরবেন এডেন মার্করাম, শাই হোপেরা।
গত রবিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিয়েছে গত বুধবার সেমিফাইনালে হেরে। তার পর থেকে কলকাতার হোটেলেই রয়েছে দু’দল। যা নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের কোচ ড্যারেল স্যামি এবং দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি কক এবং ব্যাটার ডেভিড মিলার সমাজমাধ্যমে বিরক্তি, ক্ষোভ প্রকাশ করেন। যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য দুবাই বা দোহা হয়ে ফেরার আকাশ পথ বন্ধ থাকায় তাঁদের কলকাতাতেই থাকতে হচ্ছিল। দুই দলের ফেরার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কর্তারা। চার্টার্ড বিমান ভাড়া করা হয়। তা-ও সেই বিমানের যাত্রার অনুমতি পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে সেই অনুমতি পাওয়া গিয়েছে।
মঙ্গলবার একই বিমানে রওনা দেবেন দু’দলের ক্রিকেটারেরা। জোহানেসবার্গে নেমে যাবে দক্ষিণ আফ্রিকা দল। তার পর ওই বিমানই ওয়েস্ট ইন্ডিজ় দলকে নিয়ে উড়ে যাবে অ্যান্টিগুয়ায়। সোমবার মধ্যরাতেই কলকাতা ছাড়বে দু’দল। দক্ষিণ আফ্রিকার তিন ক্রিকেটার জর্জ লিন্ডে, জেসন স্মিথ, কেশব মহারাজ এবং দলের সাপোর্ট স্টাফেরা অবশ্য রবিবার নিউ জ়িল্যান্ড চলে গিয়েছেন। ১৫ মার্চ থেকে শুরু হবে দু’দেশের পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ় এবং দক্ষিণ আফ্রিকা দলের দেশে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও শনিবার সন্ধ্যায় ভারত ছাড়ে ইংল্যান্ড দল। গত বৃহস্পতিবার ভারতের কাছে সেমিফাইনালে হেরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন হ্যারি ব্রুকেরা। তাঁদেরও দু’দিন মুম্বইয়ে আটকে থাকতে হয়। তবে ইংল্যান্ড দলের ফেরার জন্য আইসিসি যে সক্রিয়তা দেখিয়েছে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ় এবং দক্ষিণ আফ্রিকা দলের জন্য তা দেখায়নি বলে সমালোচনা শুরু হয়। ব্রুকেরা লন্ডনের বিমান ধরার পর কলকাতায় আটকে থাকা দু’দলের ক্রিকেটারদের অসন্তোষ আরও বেড়ে যায়। উল্লেখ্য, জ়িম্বাবোয়ে দলকেও দিল্লি তিন দিন আটকে থাকতে হয়েছে একই কারণে।