ঈশান কিশন। —ফাইল চিত্র।
গোটা ম্যাচ জুড়ে বাঁশির (হুইসল) শব্দে কান পাতা দায় হচ্ছিল। কিন্তু খেলা শেষ হতে হতে থেমে গেল সব শব্দ। হারের হতাশা তখন চেন্নাই সুপার কিংসের সমর্থকদের মুখে। সেই হতাশা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিলেন ঈশান কিশন। তাঁর ব্যাটেই চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে আইপিএলের প্লে-অফে উঠেছে সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদ। খেলা শেষে চেন্নাইয়ের সমর্থকদের খোঁচা মেরেছেন ঈশান।
খেলা শেষে দেখা যায়, চেন্নাইয়ের সমর্থকদের উদ্দেশে হাতের ইশারায় কিছু দেখাচ্ছেন ঈশান। প্রথমে বাঁশি বাজানোর কায়দা দেখান তিনি। তার পর হাতের ইশারায় বাড়ি বা ঘর বোঝান। শেষে হাতের ইশারায় চেন্নাই সমর্থকদের চলে যেতে বলে তিনি। মুখে কিছু না বললেও ঈশান বোঝাতে চেয়েছেন, ‘এ বার বাড়ি চলে যাও।’ বার বার হাতের ইশারায় হলুদ জার্সিধারী সমর্থকদের বেরিয়ে যেতে বলেন তিনি।
সেখানেই থেমে থাকেননি ঈশান। পরে সমাজমাধ্যমেও খোঁচা মারেন হায়দরাবাদের বাঁহাতি ব্যাটার। সমাজমাধ্যমে ম্যাচের কয়েকটি ছবি দিয়ে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “অনলি থিং লাউডার দ্যান দ্য হুইসল্স ওয়াজ় দ্য ব্যাট। ইনটু দ্য প্লে-অফস।” ইংরেজিতে এই ১২ শব্দের বাংলা অর্থ, “বাঁশির থেকে জোরে যদি কিছু বাজে তা হলে সেটা ব্যাটের আওয়াজ। প্লে-অফে উঠলাম।” তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, নিজের ব্যাটে চেন্নাই সমর্থকদের বাঁশির আওয়াজ তিনি বন্ধ করে দিয়েছেন।
এই ম্যাচ দু’দলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। জিতলেই প্লে-অফ পাকা ছিল হায়দরাবাদের। অন্য দিকে প্লে-অফের লড়াইয়ে ভাল ভাবে থাকতে হলে জিততেই হতো চেন্নাইকে। প্রথমে ব্যাট করে ১৮০ রান করে চেন্নাই। ১৮১ রান তাড়া করতে নেমে ৪৭ বলে ৭০ রানের ইনিংস খেলেন ঈশান। দলকে জিতিয়ে হন ম্যাচের সেরা। নিজেদের পাশাপাশি গুজরাত টাইটান্সকেও প্লে-অফে তোলা তারা।
চেন্নাইয়ের প্লে-অফ ভাগ্য আর নিজেদের হাতে নেই। গ্রুপের শেষ ম্যাচ জিতলেও বাকি দলের খেলার উপর নির্ভর করতে হবে তাদের। অনেকগুলি অঙ্ক রয়েছে। ফলে চেন্নাইয়ের বাড়ি যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। হাতের ইশারায় সেই খোঁচাই মেরেছেন ঈশান।