মাথিশা পাথিরানা। —ফাইল চিত্র।
লখনউ সুপার জায়ান্টসের হয়ে ওয়ানিন্দু হাসরঙ্গর আইপিএল খেলা এখনও অনিশ্চিত। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট এখনও তাঁকে ছাড়পত্র দেয়নি। তবে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলার ছাড়পত্র পেতে পারেন মাথিশা পাথিরানা। যদিও কবে থেকে তিনি আবার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলতে পারবেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
হাসরঙ্গকে ২ কোটি টাকায় দলে নিয়েছিল লখনউ। শ্রীলঙ্কার লেগ স্পিনারকে নিয়ে সঞ্জীব গোয়েন্কার দল এখনও অন্ধকারে। এখনও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের ফিটনেস পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি তিনি। তবে আশা তৈরি হয়েছে জোরে বোলার পাথিরানাকে নিয়ে। কিছু দিনের মধ্যে তিনি ফিটনেস পরীক্ষা দিতে পারেন।
আইপিএল খেলার ছাড়পত্র দেওয়ার আগে প্রত্যেক ক্রিকেটারের ফিটনেস যাচাই করে নিচ্ছে শ্রীলঙ্কা। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের জন্য ফিটনেসের নতুন মান নির্দিষ্ট করা হয়েছে। যাঁরা ফিটনেসের নতুন মান অর্জন করতে পারছেন, শুধু তাঁদেরই আইপিএল খেলার অনুমতি দিচ্ছেন শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট কর্তারা।
চোটের জন্য প্রায় দু’মাস প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের বাইরে হাসরঙ্গ। তাঁর বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট লেগেছিল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার প্রথম ম্যাচ ছিল আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে। সেই ম্যাচ খেলতে নেমেই চোট পান লেগ স্পিনার। ২৮ বছরের ক্রিকেটার এখনও ফিটনেস পরীক্ষা দেননি। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের দেওয়া শেষ খবর অনুযায়ী, নেটে ব্যাটিং অনুশীলন শুরু করেছেন হাসরঙ্গ। তবে এখনও বোলিং শুরু করেননি। প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের শিবিরে রয়েছেন তিনি। কবে থেকে হাসরঙ্গ বল করতে পারবেন, সে সম্পর্কে নির্দিষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তাই এ বারের আইপিএলে লখনউয়ের হয়ে হাসরঙ্গর খেলার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম বলে মনে করা হচ্ছে। লখনউয়ের এক কর্তা সর্বভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘হাসরঙ্গর ব্যাপারে আমাদে কাছে কোনও খবর নেই।’’
হাসরঙ্গার মতো শিবিরে রয়েছেন পাথিরানাও। গত সপ্তাহ থেকে নেটে বোলিং শুরু করেছেন জোরে বোলার। তবে এখনও তাঁর ফিটনেসের সমস্যা রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, সপ্তাহ খানেক পর পরীক্ষা দেবেন পাথিরানা। পরীক্ষায় পাস করলে তবেই তিনি কেকেআরের হয়ে আইপিএল খেলার অনুমতি পাবেন। হাসরঙ্গার মতো পাথিরানাও চোট পেয়েছিলেন গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। নিলামে তাঁকে ১৮ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছিল শাহরুখ খানের দল। সব কিছু ঠিক থাকলে এপ্রিলের মাঝমাঝি সময়ে কেকেআর শিবিরে যোগ দিতে পারেন তিনি।