IPL 2026

দুর্দান্ত বোলিং, ফিল্ডিং কেকেআরের, টানা পাঁচ ম্যাচ জেতা হায়দরাবাদ ১৬৫ রানে শেষ বরুণ-নারাইনদের সামনে

পর পর পাঁচটি ম্যাচ জিতে নেমেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ঘরের মাঠে কেকেআরের সামনে বিপদে পড়ল তারা। প্রথমে ব্যাট করে হায়দরাবাদ তুলেছে ১৬৫। বরুণ চক্রবর্তী এবং সুনীল নারাইনের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারল না তারা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ মে ২০২৬ ১৭:১২
Share:

বরুণের সঙ্গে উচ্ছ্বাস অঙ্গকৃশের। ছবি: পিটিআই।

পর পর পাঁচটি ম্যাচ জিতে ছন্দে থেকেই নেমেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। কিন্তু ঘরের মাঠে কেকেআরের সামনে বিপদে পড়ল তারা। শুরুটা ভাল করেও বড় রান তুলতে পারল না তারা। ট্র্যাভিস হেড অর্ধশতরান করলেন। তবে বাকি নামী ব্যাটারেরা ব্যর্থ। প্রথমে ব্যাট করে হায়দরাবাদ তুলেছে ১৬৫। বরুণ চক্রবর্তী এবং সুনীল নারাইনের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারল না হায়দরাবাদ।

Advertisement

অভিষেক খুব একটা ভাল স্পিন খেলতে পারেন না। তাই শুরুতেই কলকাতার অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে এগিয়ে দিয়েছিলেন সুনীল নারাইনকে। চতুর্থ বলেই নারাইনকে ছয় মারেন অভিষেক। দ্বিতীয় ওভারে পেসার ফিরতেই ছন্দে ফেরে হায়দরাবাদ। বৈভবকে চারটি চার মারেন হেড। পরের ওভারে নারাইনকেও একটি চার এবং একটি ছয় মারেন। তিন ওভারে ৩৭ রান উঠে যায়।

চতুর্থ ওভারেই প্রথম উইকেট হারায় হায়দরাবাদ। অভিষেককে শর্ট বল করেছিলেন কার্তিক ত্যাগী। অভিষেক পুল করেছিলেন। বল ব্যাটের কানায় লেগে আকাশে উঠে যায়। ক্যাচ ধরেন ক্যামেরন গ্রিন। তবে হেডকে থামানো যাচ্ছিল না। তিনি গ্রিনকে পর পর তিনটি চার মারেন। ছাড়েননি কার্তিককেও। হেডের সঙ্গে ঈশান থাকলেও তাঁর কাজ ছিল মূলত একটি দিক ধরে রাখা।

Advertisement

বরুণ প্রথম ওভারে ১৩ রান হজম করেন। নিজের দ্বিতীয় ওভারে তাঁকে দু’টি চার এবং একটি ছয় মেরে বিপদে ফেলেছিলেন হেড। নবম ওভারে বরুণই বোকা বানিয়ে আউট করেন হেডকে। গতির তারতম্য এনে বল করেছিলেন। হেড চালিয়ে খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন গ্রিনের হাতে। পরের ওভারে হেনরিখ ক্লাসেনকে তুলে নেন গ্রিন। একটি ছয় এবং চার মারার পর তিনি ক্যাচ দেন রভমান পাওয়েলের হাতে। পাওয়েলের ক্যাচের প্রশংসা করতে হবে। বল অনেকটা দূরে থাকা সত্ত্বেও ঝাঁপিয়ে পড়ে এক হাতে যে ক্যাচটি নেন তা মনে রাখার মতোই।

এর পর ঈশান একটা দিকে টিকে থাকলেও অপর দিক থেকে একের পর এক উইকেট পড়তে থাকে। ব্যর্থ স্মরণ রবিচন্দ্রন (৪), অনিকেত বর্মা (৬), সলিল অরোরা (২), প্যাট কামিন্স (১০), শিবঙ্গ কুমার (১)। ঈশানও আগ্রাসী হতে গিয়ে আউট হন ২৯ বলে ৪২ করে।

কেকেআরের হয়ে তিনটি উইকেট বরুণের। দু’টি করে উইকেট নারাইন এবং কার্তিকের।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement