IPL 2026

বিপদের দিনে রাজস্থানকে একাই টানল বৈভব, আরও একটি শতরান হাতছাড়া সূর্যবংশীর, ফাইনালে উঠতে ২১৫ চাই গুজরাতের

আইপিএলে সবচেয়ে পরিণত ইনিংস খেলতে দেখা গেল বৈভব সূর্যবংশীকে। দলের বিপদের দিনে একাই লড়াই করল ১৫ বছরের ক্রিকেটার। প্রশংসা আদায় করে নিল সকলের। তবে আরও একটা শতরান হাতছাড়া করল সে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৯ মে ২০২৬ ২১:৩৩
Share:

বৈভব সূর্যবংশী। ছবি: পিটিআই।

আইপিএলে সবচেয়ে পরিণত ইনিংস খেলতে দেখা গেল বৈভব সূর্যবংশীকে। দলের বিপদের দিনে একাই লড়াই করল ১৫ বছরের ক্রিকেটার। প্রশংসা আদায় করে নিল সকলের। তবে আরও একটা শতরান হাতছাড়া করল সে। এলিমিনেটরে ৯৭ রান করার পর দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে গুজরাতের বিরুদ্ধে তার ব্যাট থেকে এল ৯৬ রান। বৈভবের ব্যাটিংয়ে ভর করে রাজস্থান তুলল ২১৪/৬।

Advertisement

ম্যাচের শুরুই হয় টস বিতর্ক দিয়ে। প্রথমে ব্যাট করতে নামে রাজস্থান। তবে শুরুটা মোটেই ভাল হয়নি তাদের। চতুর্থ বলেই ফিরে যান যশস্বী জয়সওয়াল (১)। দ্বিতীয় ওভারে ফেরেন ধ্রুব জুরেল (৭)। বিপদ দেখে চারে নামিয়ে দেওয়া হয় রবীন্দ্র জাডেজাকে। পর পর দু’টি উইকেট পড়ে যাওয়ায় চাপ বাড়ে বৈভবের উপরেও। সাধারণত সে শুরু থেকেই চালিয়ে খেলতে পছন্দ করে। এ দিন সেটা দেখা যায়নি। দলের বিপদের সময় বল বুঝে খেলার দিকে নজর দিয়েছিল সে।

রাজস্থানের চাপ আরও বাড়ে অষ্টম ওভারে চোট পেয়ে জাডেজা উঠে যাওয়ায়। মাঠে চিকিৎসককে ডেকে কিছু ক্ষণ শুশ্রূষা নেন জাডেজা। কিন্তু খেলা চালিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থায় ছিলেন না তিনি। আহত অবসৃত হয়ে উঠে যান।

Advertisement

জাডেজা উঠে যেতে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয় রাজস্থান। রিয়ান পরাগ (১১), দাসুন শনাকা (৩) এবং জফ্রা আর্চার (৭) পর পর ফিরে যান। ১৩তম ওভারে আবার খেলতে নামেন জাডেজা। তবে প্রথম পর্বে যেমন আগ্রাসী খেলছিলেন তিনি, সেই ছন্দ খুঁজে পাওয়া যায়নি দ্বিতীয় পর্বে।

আগ্রাসী শট খেলার দায়িত্ব নেয় বৈভব। প্রথম থেকে একটু ধরে খেললেও ধীরে ধীরে আগ্রাসন বাড়াতে থাকে সে। এ দিন সে ৩১ বলে অর্ধশতরান করেছে। যে ক্রিকেটার আগের ম্যাচে ২৯ বলে ৯৭ রানের ইনিংস খেলেছিল, এ দিন তারই অর্ধশতরান করতে লেগেছে এতগুলি বল। বোঝাই গিয়েছে বৈভবকে কতটা মন্থর গতিতে খেলতে হয়েছে দলের কথা ভেবে। আইপিএলে এটি তার মন্থরতম অর্ধশতরান। গত বছর চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ২৭ বলে অর্ধশতরানটিই ছিল মন্থরতম। বৈভবের অর্ধশতরান আসে ১৩তম ওভারে। এর মাঝে জীবনও পেয়েছে সে। ১১তম ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের বলে বৈভবের ক্যাচ ছাড়েন সাই সুদর্শন।

৫০ পেরোনোর পর বৈভবকে আগ্রাসী খেলতে দেখা গিয়েছে। কারণ রাজস্থানের রান রেট ক্রমশই কমছিল। এই সময়ে বৈভবকে যে সব শট খেলতে দেখা গিয়েছে তা তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতোই। মাঠের বিভিন্ন প্রান্তে শট খেলেছে সে। রাজস্থানের কোনও বোলারকেই রেয়াত করেনি।

এক সময় মনে হচ্ছিল এই ম্যাচে তাঁর শতরান হয়ে যাবে। কিন্তু কাগিসো রাবাডার একটি শর্ট বল তুলে খেলতে গিয়ে থার্ডম্যানে থাকা প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের হাতে ক্যাচ দেয় বৈভব। গোটা মাঠ উঠে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানায় ১৫ বছরের ব্যাটারকে। জাডেজার সঙ্গে তাঁর ১২৭ রানের জুটি লড়াকু স্কোরে পৌঁছে দেয় রাজস্থানকে।

তবু রাজস্থানের রান ২০০ পেরোত না, যদি ডোনোভান ফেরেরা থাকতেন। শেষ ওভারে রশিদ খানকে চারটি ছয় মেরে রাজস্থানের রান ২০০ পার করে দেন তিনি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement