IPL 2026

দলকে জিতিয়েও কোহলির মুখে শুধুই সতীর্থদের কথা, বদলে যাওয়া বেঙ্গালুরুর সাফল্যের রহস্য ব্যাখ্যা করলেন বিরাট

সাই সুদর্শনের শতরান জলে গিয়েছে তাঁর জন্য। গুজরাতের বিরুদ্ধে ৪৪ বলে ৮১ রানের ইনিংস খেলে জিতিয়েছেন বেঙ্গালুরু। ম্যাচের শেষে নিজে কোনও কৃতিত্বই নিতে চাইলেন না বিরাট কোহলি। তাঁর মুখে শুধুই সতীর্থদের কথা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ০০:১৯
Share:

অর্ধশতরানের পর কোহলি। ছবি: পিটিআই।

সাই সুদর্শনের শতরান জলে গিয়েছে তাঁর জন্য। গুজরাতের বিরুদ্ধে ৪৪ বলে ৮১ রানের ইনিংস খেলে জিতিয়েছেন বেঙ্গালুরু। ম্যাচের শেষে নিজে কোনও কৃতিত্বই নিতে চাইলেন না বিরাট কোহলি। তাঁর মুখে শুধুই সতীর্থদের কথা। আলাদা করে উল্লেখ করলেন দেবদত্ত পডিক্কলের নাম। কৃতিত্ব দিলেন বোলারদেরও।

Advertisement

জেকব বেথেল শুরুতে আউট হয়ে গেলেও সমস্যায় পড়েনি বেঙ্গালুরু। কোহলি এবং পডিক্কলের দ্বিতীয় উইকেটের জুটি দলের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। কোহলি বলেন, “এই নিয়ে দ্বিতীয় বার দেবদত্ত এমন ইনিংস খেলে দেখা গেল। কখনও ওকে দেখবেন না যে ধরে খেলছে। তা সত্ত্বেও এত খোলা মনে খেলতে পারে। আমাদের ইনিংসের প্রথমার্ধে ওর ইনিংসই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। আমি চেয়েছিলাম ক্রিজ়ে টিকে থাকতে যাতে ও চাপে না পড়ে। বল করার সময়ও আমরা দারুণ ভাবে ফিরে এসেছি। এক সময় ভেবেছিলাম ২৩০-২৩৫ রান উঠবে। তখনই বুঝেছিলাম পিচ ব্যাট করার পক্ষে খারাপ নয়।”

চলতি আইপিএলে বেঙ্গালুরুর পিচ নিয়ে বেশ খুশি কোহলি। এই নিয়ে দু’বার তাঁরা ২০০ রান তাড়া করে জিতলেন। মোট তিন বার ২০০-র বেশি রান তুলেছেন। কোহলির কথায়, “এই মরসুমে ব্যাটিংয়ের সবচেয়ে ভাল পরিবেশ পেয়েছি। জানতাম ক্রিজ়ে বেশি ক্ষণ টিকে থাকতে পারলে বোলারদের জন্য কাজটা কঠিন হয়ে যাবে। দেব দারুণ খেলছিল। তাই বোলারদের চাপে ফেলাই আমাদের উদ্দেশ্য ছিল। আমাদের মধ্যে সেই সাহসটা ছিল। পাশাপাশি বাকিদের মতামতও শুনেছিলাম। জানতাম জুটিটা টিকে গেলে কোনও চাপ হবে।”

Advertisement

গত বার ট্রফি জিতেছিল বেঙ্গালুরু। এ বার বদলে গিয়েছে শরীরীভাষা। এর কারণ কী? সঞ্চালকের প্রশ্নের উত্তরে কোহলি বলেন, “নিজের দক্ষতা বুঝতে পারলে এমন খেলাই সকলের থেকে বেরিয়ে আসে। অসাধারণ ব্যাটিং বিভাগ রয়েছে আমাদের। প্রতিভাদের দিকে তাকালে বুঝবেন, এই দলে ভাল শট খেলতে পারা ব্যাটার রয়েছে। যেমন টিম ডেভিড বা রোমারিয়ো শেফার্ডরা বড় শট খেলতে পারে। তেমনই ক্রুণাল পাণ্ড্যদের মতো চতুর ক্রিকেটারেরাও রয়েছে। তাই চালিয়ে খেলার আত্মবিশ্বাস পাই আমরা।”

চলতি মরসুমে বেঙ্গালুরুতে শেষ ম্যাচ খেলল আরসিবি। কোহলির আশা, প্লে-অফেও তাঁরা ফিরতে পারবেন। বলেন, “পাঁচটা ম্যাচ খেলেই বেশ মজা পেয়েছি। নিঃসন্দেহে ক্রিকেট খেলার জন্য একটা বিশেষ জায়গা। আশা করি আবার এই মাঠে ফিরতে পারব।”

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement