West Bengal Election 2026

পুনর্নির্বাচন হবে না পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার একটি বুথেও! ঘোষণা করে দিল কমিশন, প্রয়োজন নেই তামিলনাড়ুতেও

কমিশন বিধানসভা ভোটের আগে পুনর্নির্বাচন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কোথাও কোনও ভয় দেখানো বা ভোট দানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠলেই সেখানে পুনর্নির্বাচন করা হবে বলে জানিয়েছিল।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ০০:২০
Share:

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোট হয়েছে ১৫২টি আসনে। — ফাইল চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় যত বুথে ভোট হয়েছে, তার মধ্যে একটিতেও পুনর্নির্বাচন হচ্ছে না। শুক্রবার জানিয়ে দিল কমিশন। বৃহস্পতিবার রাজ্যের ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথে ভোটগ্রহণ হয়েছে।

Advertisement

তামিলনাড়ুর কোনও বুথেও পুনর্নির্বাচন হচ্ছে না বলেও জানিয়েছে কমিশন। সেখানে বৃহস্পতিবার ৭৫,০৬৪ বুথে ভোটগ্রহণ হয়েছে।

কমিশন বিধানসভা ভোটের আগে পুনর্নির্বাচন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কোথাও কোনও ভয় দেখানো বা ভোট দানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠলেই সেখানে পুনর্নির্বাচন করা হবে বলে জানিয়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার দুই রাজ্যে যত বুথে ভোট গ্রহণ হয়েছে, সেখানে পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন নেই বলে শুক্রবার জানিয়েছে কমিশন।

Advertisement

১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে পুনর্নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত রয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে কোন বুথে বা ভোটকেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন হতে পারে, তা স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ রয়েছে তাতে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমিশনেরই।

অতীতের নানা নির্বাচনে রাজ্যের বিভিন্ন বুথে ভোটারদের ভয় দেখানো, ছাপ্পা, ভোটদানে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগ তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। তবে খুব বেশি সংখ্যক বুথে পুনর্নির্বাচন দেখা যায়নি। প্রিসাইডিং অফিসারের রিপোর্টের ভিত্তিতেই পুনর্নির্বাচন করে কমিশন। এ বার কমিশনের স্বতঃপ্রণোদিত ভাবেও সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল।

Advertisement

এ বারে কমিশনের যা দৃষ্টিভঙ্গি, তাতে কোথাও গুরুতর বেনিয়ম হয়েছে বলে যদি মনে করে তারা, তা হলেই কড়া পদক্ষেপ করার আভাস মিলেছে। এই অবস্থায় বুথগুলি থেকে উঠে আসা অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুনর্নির্বাচনের মধ্যে হারও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে মনে করা হয়।

প্রথম দফার ভোট চলাকালীন মুর্শিদাবাদের ভরতপুর ও বহরমপুর— দু’টি বিধানসভা কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার কংগ্রেস নেতা নিলয় প্রামাণিক মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ অগ্রবালের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। প্রয়োজনে ভোটের সময় বৃদ্ধি বা পুনর্নির্বাচনের ব্যবস্থার কথাও উল্লেখ করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, রাজ‍্যে প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৯২.৮৮ শতাংশ। ভোটদানের হার সবচেয়ে বেশি কোচবিহারে— ৯৬.০৪ শতাংশ। এ ছাড়া দক্ষিণ দিনাজপুরে ৯৫.৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। ৯৪ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে জলপাইগুড়ি, মালদহ, বীরভূম এবং উত্তর দিনাজপুরে। দার্জিলিং ও কালিম্পঙে ভোটের হার ৯০ শতাংশের নীচে। বাকি জেলাগুলিতেও ভোটের হার ৯০-এর গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement