হার্দিক পাণ্ড্য। ছবি: পিটিআই।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম দু’ম্যাচে জয় এলও দলের পারফরম্যান্স প্রত্যাশাপূরণ করতে পারছে না। নামিবিয়াকে ৯৩ রানে হারানোর পর মেনে নিলেন সূর্যকুমার যাদব। হার্দিক পাণ্ড্য বিশ্বকাপের আগে দু’মাস ধরে প্রস্তুতি নিয়েছেন। সেনাদের মতো ট্রেনিংও করেছেন। পিচ নিয়ে অসন্তোষের কথা জানাতেও ভুললেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।
সূর্য মেনে নিলেন, সব কিছু ঠিক মতো হচ্ছে না। ম্যাচের পর তিনি বললেন, ‘‘ভাল ম্যাচ হল। ঈশান কিশন আর সঞ্জু স্যামসন দারুণ শুরু করেছিল। ৬-৭ ওভারের মনে হচ্ছিল ২৪০-২৫০ রান হয়ে যাবে। সেটা হল না। উইকেটে বল একটু থেমে আসছিল। নামিবিয়ার বোলারেরাও খুব ভাল বল করল। ওদের কৃতিত্ব কেড়ে নিতে চাই না। ক্রিকেট এই জন্যই অনিশ্চয়তার খেলা।’’
ভারতীয় দলের অধিনায়ক খুশি জসপ্রীত বুমরাহ, হার্দিক পাণ্ড্যদের পারফরম্যান্সে। আমেরিকার বিরুদ্ধে অসুস্থতার জন্য খেলতে পারেননি বুমরাহ। সূর্য বললেন, ‘‘বুমরাহ পুরো ৪ ওভার বল করল। এটা আমাদের বড় পাওনা। অক্ষর পটেলের সঙ্গে জুটিতে বরুণ চক্রবর্তীও খুব ভাল বল করল।’’ আলাদা করে বললেন হার্দিকের কথা। সূর্য উচ্ছ্বসিত তাঁকে নিয়ে, ‘‘হার্দিক দুর্দান্ত। ভাল ব্যাট করল। নতুন বলে বল করল। শেষের দিকের ওভারগুলোতেও বেশ ভাল বল করল। যখন প্রয়োজন হচ্ছে, তখনই কিছু না কিছু করছে। আমাদের কাছে প্রতিটা ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। শুরুটা হয়তো আমরা নিখুঁত করতে পারিনি। তবে দল ঠিক পথেই এগোচ্ছে।’’
ব্যাট হাতে ২৮ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলার পর বল হাতে ২১ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন হার্দিক। তিনিই ম্যাচের সেরা। খেলার পর বললেন তাঁর প্রস্তুতির কথা, ‘‘খেলাটা খুব উপভোগ করছি। দু’মাস প্রস্তুতি নিয়েছি বিশ্বকাপের জন্য। বলতে নেই, সব কিছু ঠিক ঠাক হচ্ছে। ব্যাট করতে ভাল লাগে। সুযোগ এলে কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। রান পেলে দারু অনুভূতি হয়। শরীর এক দম ঠিক আছে। কঠোর পরিশ্রম করতে পারছি। বিশ্বকাপের মাসখানেক আগে আমি অনেকটা সেনাদের মতো ট্রেনিংও করেছি।’’ হার্দিকের মুখে শোনা গেল সতীর্থদের প্রশংসাও। তিনি বললেন, ‘‘আমাদের বোলিং আক্রমণ বেশ ভাল। দলে ভাল জোরে বোলার রয়েছে। ভাল স্পিনারেরা রয়েছে। অক্ষর, বরুণ, কুলদীপ যাদবেরা দুর্দান্ত।’’
দিল্লির পিচ কিছুটা বিস্মিত করেছে হার্দিককে। তিনি বলেছেন, ‘‘পর পর দুটো ম্যাচে আমরা যে পিচ পেলাম, তাকে ব্যাটিং সহায়ক বলা যাবে না। এতটু ধীর গতির পিচ। আমাদের এর সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। এমন পিচে সফল হওয়ার জন্য দক্ষতা প্রয়োজন। তবে আমরা আর একটু পাটা পিচ আশা করেছিলাম।’’