সঞ্জু স্যামসন। ছবি: সমাজমাধ্যম।
মঙ্গলবার অপরাজিত ৮৭ রান করে দিল্লির বিরুদ্ধে জিতিয়েছেন চেন্নাইকে। নতুন দলের হয়ে চলতি মরসুমে তৃতীয় শতরানের সুযোগ থাকলেও তা কাজে লাগাননি সঞ্জু স্যামসন। অনেকেরই ধারণা, আর একটু চালিয়ে খেললেই শতরান করে ফেলতে পারতেন। ম্যাচের পর সঞ্জুই জানালেন, ইচ্ছে করেই শতরান করেননি তিনি। আইপিএলে একটি নজিরও গড়ে ফেলেছেন চেন্নাইয়ের ওপেনার।
মঙ্গলবারের ম্যাচে যখন চেন্নাইয়ের জিততে ৩০ রান দরকার ছিল, তখন শতরান পূরণ করতে সঞ্জুর দরকার ছিল ২১। চাইলেন শতরান করে ফেলতে পারতেন। অতীতেও ব্যক্তিগত মাইকফলক গড়তে এমন কাজ করতে দেখা গিয়েছে। সঞ্জু সে পথে হাঁটেননি। সতীর্থকে রান করার সুযোগ দিয়েছেন।
ম্যাচের পর সঞ্জু বলেছেন, “শতরান সব সময়ই আলাদা। কিন্তু ওই মুহূর্তে শতরানের চেষ্টা করতে গেলে খুব স্বার্থপরের মতো কাজ হত। তাই দলকে জেতানোর চেষ্টাই করেছি। অপরাজিত থেকে দলকে জেতানোর মধ্যে বাড়তি তৃপ্তি রয়েছে।” শেষ ৩৩ রানের মধ্যে সঞ্জু মাত্র আট রানের করেন। কার্তিক শর্মা তিনটি চার এবং একটি ছয় মেরে ম্যাচ শেষ করে দেন।
দিল্লির পিচে ব্যাট করা সহজ ছিল না। মন্থর পিচ এবং বাউন্সের বৈচিত্রে খুশি ছিলেন না ব্যাটারেরা। সেই পিচে সাফল্যের রহস্য হিসাবে সঞ্জু বলেন, “শরীরের নড়াচড়া নিয়ে বাড়তি পরিশ্রম করছি। সেটা কাজে লেগেছে। গত কয়েক বছর ধরেই এই কাজ করছি। পাশাপাশি বোলারদের জন্য নির্দিষ্ট কৌশল থাকে আমার। তাই অন্য কিছু করার চেষ্টা করি না।”
আইপিএলের ইতিহাসে তৃতীয় ব্যাটার হিসাবে একই মরসুমে একটি নির্দিষ্ট দলের বিরুদ্ধে ২০০ বা তার বেশি রানের নজির গড়েছেন সঞ্জু। এ বছর দিল্লির বিরুদ্ধে ২০২ রান করেছেন তিনি। কোহলি ২০১৬-য় অধুনালুপ্ত গুজরাত লায়ন্সের বিরুদ্ধে দু’টি সাক্ষাতেই শতরান করেছিলেন। ২০২২-এ কেএল রাহুল লখনউয়ে খেলার সময় মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে দু’টি ম্যাচেই শতরান করেছিলেন। সঞ্জু দিল্লির বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে অপরাজিত ১১৫ করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে অপরাজিত ৮৭ করেছেন।