কিলিয়ান এমবাপে। —ফাইল চিত্র।
চিকিৎসা বিভ্রাট হওয়ায় আর একটু হলে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল কিলিয়ান এমবাপের বিশ্বকাপে খেলা। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলতে গিয়ে বাঁ পায়ের হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন এমবাপে। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁর ডান পায়ের হাঁটু পরীক্ষা করে দেখেন। তাতেই বিভ্রাট বাড়ে। চোট নিয়েই খেলা চালিয়ে যান এমবাপে। ফলে চোট আরও বেড়ে যায় তাঁর।
গত বছর ৭ ডিসেম্বর লা লিগায় সেল্টা ভিগোর বিরুদ্ধে খেলার সময় চোট পান এমবাপে। কিন্তু তাঁর ভুল হাঁটুতে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় চোট ধরা পড়েনি। ফলে সেই অবস্থায় আরও তিনটি ম্যাচ খেলেন ফরাসি তারকা। ১০ ডিসেম্বর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে রিয়ালের বেঞ্চে বসে থাকলেও বছরের শেষ তিনটি ম্যাচে পুরো ৯০ মিনিট খেলেন এমবাপে।
৩০ ডিসেম্বর অনুশীলনের সময় মেডিক্যাল দলের কাছে গিয়ে এমবাপে বলেন, তাঁর বাঁ হাঁটুতে যন্ত্রণা হচ্ছে। তার পরেই তাঁর বাঁ হাঁটু পরীক্ষা করে দেখা হয়। তাতে দেখা যায়, লিগামেন্ট ছিঁড়ে গিয়েছে। যদিও আগের ভুল চিকিৎসার জন্য কারও বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেনি রিয়াল।
ক্লাবের চিকিৎসার উপরে আর ভরসা করতে পারেননি এমবাপে। তিনি চলে যান ফ্রান্সে। সেখানে চিকিৎসা করান। সুস্থ হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেন। ফেব্রুয়ারি মাসে আবার মাঠে ফিরে অনুশীলন শুরু করেন এমবাপে। যদিও তার পরেও ম্যাচ ফিট হতে সময় লাগে তাঁর। গত মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে ম্যাঞ্চেস্টার সিটির বিরুদ্ধে বেঞ্চ থেকে ফিরে ২১ মিনিট খেলেন তিনি। রবিবার আতলেতিকো মাদ্রিদের বিরুদ্ধে খেলেন ২৬ মিনিট। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন এই মুহূর্তে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা ফুটবলার।
আপাতত দেশের হয়ে খেলতে নামবেন এমবাপে। ২৬ মার্চ ব্রাজ়িল ও ২৯ মার্চ কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে আমেরিকার মাটিতে দু’টি প্রীতি ম্যাচ খেলবে ফ্রান্স। সেখানেই দেখা যাবে এমবাপেকে। আপাতত তাঁর লক্ষ্য, পুরো সুস্থ হয়ে ওঠা। জুন মাসে বিশ্বকাপ। আর একটু হলে ভুল চিকিৎসায় বিশ্বকাপে খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল গত বিশ্বকাপের সোনার বুটের মালিকের।