অবশেষে আই লিগে ইস্টবেঙ্গলের চতুর্থ বিদেশি নিয়ে জল্পনার অবসান।
তিনি— কিরঘিস্তান জাতীয় টিমের স্ট্রাইকার ইলদার আমিরভ। এশীয় কোটায় লাল-হলুদে আসছেন ছ’ফুট দুইয়ের বিদেশি। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে তাঁর কথা চলছিল এক সপ্তাহ ধরে। শেষ পর্যন্ত সোমবার রাতে ফুটবল সচিব সন্তোষ ভট্টাচার্যকে পাকা কথা দেন আমিরভ। ২৯ বছর বয়সি তাতার বংশোদ্ভূত ফুটবলার সাত বছর আগে ভারতের বিরুদ্ধে এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে গোল করেছিলেন। গত দু’বছর খেলছেন তুরস্ক লিগের নীচের ডিভিশনের ক্লাব তুরানস্পোরে। লাল-হলুদ সূত্রে খবর, এ দিনই ভারতের ভিসার জন্য আবেদন করেছেন আমিরভ। কর্তারা আশাবাদী, পরের সপ্তাহে টিমের সঙ্গে যোগ দেবেন নতুন বিদেশি।
আপাতত অবশ্য আই লিগের প্রথম ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের অনেক ‘নেই’-এর মধ্যে বড় প্রাপ্তি ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো ফরোয়ার্ড উইলিস প্লাজা— এমনটা মনে করছেন কোচ মর্গ্যান। সোমবার অনুশীলন শেষে বলে দিলেন, ‘‘খুব অল্প সময়ে দলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে প্লাজা। আমাদের দলকে সাফল্য পেতে ওর ভূমিকা কিন্তু বেশ গুরুত্বপূর্ণ হবে।’’ মর্গ্যান এ-ও বলেন, ‘‘ছেলেটার গতি ভাল। একের বিরুদ্ধে একে কাটিয়ে বেরোতে পারে। ওর ভাল খেলাটা আমাদের জন্য খুব জরুরি।’’
আমিরভের অপেক্ষা ইস্টবেঙ্গলে। ছবি: উৎপল সরকার
ইস্টবেঙ্গলে তাঁর প্রথম ইনিংসে সাফল্য পাওয়ার পিছনে ‘ফ্রি-ম্যান’ হিসেবে পেন ওরজির কথা অতীতে বারবার উল্লেখ করেছেন মর্গ্যান। মর্গ্যানের প্র্যাকটিস থেকে এটা পরিষ্কার, এ বার সেই ভূমিকায় ওয়েডসনকে চাইছেন তিনি। যদিও ইস্টবেঙ্গল জার্সি গায়ে প্রথম ম্যাচে সেই ভূমিকায় সফল নন ওয়েডসন। এ দিন প্র্যাকটিসে হাইতি ফরোয়ার্ডের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলাদা ভাবে কথা বলেন মর্গ্যানের সহকারী ওয়ারেন হ্যাকেট। ওয়েডসন আদতে উইঙ্গার। অনুশীলনে তাঁকে বেশিক্ষণ পায়ে বল না রাখার জন্য মর্গ্যানকে নির্দেশ দিতে দেখা গিয়েছে। আইজল ম্যাচ লোন স্ট্রাইকারে খেললেও শিবাজিয়ান্সের বিরুদ্ধে হাওকিপ-প্লাজা জোড়া স্ট্রাইকারে খেলার আভাস মর্গ্যানের এ দিনের প্র্যাকটিসে।